আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার আসমানখালী শালিকা গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুলপড়ুয়া ছাত্রীর বিয়ে পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মৃত হারেজ মন্ডলের ছেলে ভাংবাড়িয়া গ্রামের মসজিদের খতিব মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের মহিদুল ইসলামের মেয়ে আসমানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রী ফাতেমা খাতুনের সাথে একই গ্রামের আশাদুল হকের ছেলে আমির হামজার সাথে গত বুধবার দিনগত রাতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিজানুর রহমান মিজান এই বিয়ে পড়িয়েছেন। বিয়ে পড়ানোর সময়ে গ্রামের অনেকে বাল্য বিয়ে পড়াতে নিষেধ করলেও মসজিদের খতিব বলেন, আমরা হলাম গ্রামের বড় গ্রুপের ছেলে। আমি এর আগেও এমন বিয়ে পড়িয়েছি, প্রশাসনের সব বড় কর্তারাই আমার কাছ থেকে টাকা খাই। তাই কে কি করতে পারে তা আমার জানা আছে। এবিষয়ে আসমানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, ফাতেমা আমার বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর একজন মেধাবী ছাত্রী। তার বিয়েতে আমি এক মত প্রকাশ করিনা। যে কাজী এই বিয়ে পড়িয়েছে আমি তার শাস্তির দাবি করছি প্রশাসনের কাছে।
অপরদিকে, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান বলেন, যে ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল ছাত্রীদের বিয়ে পড়িয়েছে তাকে আমরা আইনের আওত্তায় এনে দ্রুত বিচার করবো।
