ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে ব্যালট পেপার মুদ্রণসহ অন্যান্য বিষয়গুলো কার্য তালিকায় থাকলেও জামায়াতের প্রার্থীদের নির্বাচন করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। আজকের কমিশন বৈঠকেই ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা জামায়াত প্রার্থীদের বৈধতা-অবৈধতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। জামায়াত নেতাদের বিএনপির হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে তা তিন দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন আদালত। গতকাল মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের সন্তানদের সংগঠন ‘প্রজন্ম ৭১ ও গৌরব ৭১’ নামে দুটি সংগঠন আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে গিয়ে লিখিতভাবে কমিশনে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানায়। যদিও ইসিতে গিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই নির্বাচনে জামায়াতের কোনো প্রার্থী নেই, সবাই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীহিসেবে ধানের শীষে নির্বাচন করছেন। জামায়াত তাদের মনোনীত করেনি। জানা যায়, জামায়াতে ইসলামী বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল। উচ্চ আদালতের রায়ে দলটির নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় এবার জামায়াতের ২১ জন প্রার্থী (আরেকজন স্বতন্ত্র প্রতীকে) বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। জামায়াত নেতাদের এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে রুল জারি করা হয়। রুলে তিনদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জবাব দেয়ার নির্দেশনা ছিল। এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ তার নিজ দপ্তরে বলেন, ‘আমরা মহামান্য হাইকোর্টের চিঠিটা আজকে (২০ ডিসেম্বর) পেয়েছি এবং আইন শাখায় বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেছি। যাতে কমিশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।’ সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে তিন কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে। আমরা যেহেতু আজকে পেয়েছি, স্বাভাবিকভাবে আমাদের হাতে আরও দুটি কার্যদিবস হাতে আছে (শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকায় রোববার ও সোমবার হাতে আছে ইসির)। এর মধ্যে মাননীয় কমিশন নিশ্চয়ই একটা সিদ্ধান্ত দেবে।’
