ছবির ক্যাপশন:
মামলা, গ্রেফতার ও ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। চুয়াডাঙ্গা-২ নির্বাচনী এলাকায় ভোটের পরিবেশ ক্রমেই নাজুক অবস্থার দিকে যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী বিএনপির উপ-কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গতকাল বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক খলিলুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদল নেতা মাহফিজুর রহমান জনি, আফজালুর রহমান সবুজ ও ভোরের দিকে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা করম আলী মেম্বরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কুড়–লগাছী ইউনিয়নে ধানের শীষের প্রচার মাইক ভাঙচুর করা হয় গতকাল। রাতে তিতুদহ ইউনিয়নের ৬২ আড়িয়া গ্রামে ধানের শীষের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে আওয়ামী লীগের কর্মিরা। পুলিশ দর্শনা ও দামুড়হুদায় আওয়ামী লীগের সাথে জোট বেঁধে নিজেরা নাটক করে বিএনপির নেতাকর্মিদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। দামুড়হুদার দেউলী গ্রামের যুবলীগ কর্মি হেকমতের দোকান ভাঙ্গার নাটক করে ৫২ জন নেতাকর্মিকে আসামী করে মামলা সাজানো হয়েছে। এভাবে বোমা নাটক করে দর্শনায় ৯০ জন নেতাকর্মির নামে মামলা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও পুলিশের যোগসাজসে এসব নির্যাতন নিপীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি বলেন, এটা কোন নির্বাচনের মাঠ হতে পারেনা। প্রধানমন্ত্রী ও সিইসি ভালো ভালো কথা বলছেন অথচ নির্বাচনের মাঠ বিরোধী শূন্য করে নৌকার প্রার্থীকে ওয়াক ওভার দিতে নীল নকশা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস, জনগন ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার প্রস্তুত আছে। তিনি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতার বন্ধের জোর দাবি জানান। (প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
