ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নয়মাইল বাজারে বিসমিল্লাহ ষ্টোরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় দেড় মাস পর তিন চোরকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও উদ্ধার হয়নি চুরি হওয়া নামি-দামি মোবাইলফোনসহ বিভিন্ন মালামাল। আটককৃতদের উক্ত চুরি মামলায় আজ আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে বলে জানায় পুলিশ। গত বুধবার রাতে দশ মাইল বাজারসহ আশপাশ এলাকার পৃথক স্থান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হল- ভুলটিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, হাছনহাটি’র খোরশেদ আলী ও সুমন মিয়া। চুয়াডাঙ্গা সদর থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ শে’ অক্টোবর দিবাগত রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নয় মাইল বাজারে আশরাফুল হকের বিসমিল্লাহ ষ্টোরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। সে সময় নামি-দামি বিভিন্ন ব্রান্ডের মোবাইলফোনসহ প্রায় এক লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায় চোরের দল। ওই সময় দোকান মালিক আশরাফুল বাদি হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি জিডি করেন। পরে দেড় মাস পর গত বুধবার রাতে চোর সন্দেহে দশমাইল বাজার থেকে ভুলটিয়া গ্রামের সাহাবুদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলামকে আটক করে সিন্দুরীয়া ক্যাম্প পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয় জনতা। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাছনহাটি গ্রামের মৃত সমশের আলীর ছেলে খোরশেদ আলী ও একই এলাকার মৃত আজগর আলীর ছেলে সুমনকে আটক করে সদর থানা হেফাজতে সোপর্দ করা হয়। এসময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তারা। তবে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও উদ্ধার হয়নি চুরি হওয়া মালামাল। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় পুলিশ। উক্ত ঘটনায় গতকাল দোকান মালিক আশরাফুল ইসলাম বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করলে আজ আটককৃতদের ওই চুরি মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে বলে জানায় পুলিশ। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক জানান, গত বুধবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দশ-মাইল বাজারসহ আশপাশ এলাকা থেকে এই তিনজনকে আটক করে সিন্দুরীয়া ক্যাম্প পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এরা চুরির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একই সাথে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা অব্যহত আছে। এদিকে চুরি হওয়া দোকানের মালিক আশরাফুল ইসলাম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে ফলে আজ উক্ত মামলায় আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
