ছবির ক্যাপশন:
এসএম শাফায়েত: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের প্রার্থিতা যাচাই বাছাই করা হবে আজ রোববার। সকাল ৯টা থেকে বিকল ৫টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা-১ এবং ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত চলবে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের যাচাই বাছাই কার্যক্রম। এ সময় প্রার্থীর সঙ্গে তার প্রস্তাবকারী, সমর্থনকারী ও নির্বাচনী এজেন্টগণ উপস্থিত থাকতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। যাচাই বাছাই কার্যক্রম বোর্ডে থাকছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং চার উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইনানুযায়ী সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। সবশেষ বিকাল পাঁচটা নাগাদ প্রার্থিদের যাচাই বাছাইয়ের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। যাচাই বাছাই বোর্ডের সিদ্ধান্তে বা কোন বিষয়ে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে পরবর্তীতে আপিল করার সুযোগ থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস।
চুয়াডাঙ্গা জেলার দু’টি সংসদীয় আসন থেকে মোট ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে ১১জন ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ৭জন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র অন্যতম সদস্য মো. শরীফুজ্জামান, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মেদ শামসুজ্জামান দুদু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুহা. অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, অন্যতম সদস্য লে. কর্ণেল (অব.) সৈয়দ কামরুজ্জামান, জাসদ (ইনু) মনোনীত প্রার্থী এম সবেদ আলী, জাতীয় পার্টি মনোনীত এড. মো. সোহরাব হোসেন, মো. তৌহিদ হোসেন (জেএসডি), মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. আলমাছ হোসেন (বাংলাদেশ জাকের পার্টি) ও মেরিনা আক্তার (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন- আ. লীগ মনোনীত বর্তমান সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর, বিএনপি মনোনীত দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-কোষাধ্যক্ষ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান খান বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রুহুল আমীন, মো. হাসানুজ্জামান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মো. আব্দুল লতিফ খান (জাকের পার্টি), শেখ লালন আহমেদ (গণফ্রন্ট) ও নূর হাকিম (স্বতন্ত্র)।
সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
