ছবির ক্যাপশন:
বিশেষ প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে ৩৮ নম্বরে জায়গা পেয়েছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। তবে কোনদিন পদ-পদবীর বড়াই করতে দেখা যায়নি তাকে। দলের সংকটাপন্ন সব সময়েই নেতাকর্মীদের নিয়ে থেকেছেন রাজপথে। আন্দোলন সংগ্রামে শত বাঁধা উপেক্ষা করে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। মনোনয়ন প্রাপ্তি মূল উদ্দেশ্য ছিল না তার। দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণকে জাতীয়তাবাদ ঐক্যে সামিল করতেই দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে দেখা গেছে তাকে। ছুটেছেন শহর থেকে অজপাড়াগায়। ২০১৪ সালের আন্দোলন সংগ্রামেও তার ভূমিকা ছিল লক্ষণীয়। এরপর পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নিরলস পরিশ্রম করতে দেখা গেছে তাকে। সর্বত্রই তার পদচারণা আর দলীয় শৃঙ্খলা বোধের কারণে দলের নীতিনির্ধারণী মহলে প্রশংসার পাত্র ছিলেন শরীফুজ্জামান। এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাই চমক নিয়ে ফিরলেন তিনি। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হয়েছে তাকে। গত ১৯ নভেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলকে ডাকা হয়েছিল রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তিনি কারাগারে থাকায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভিডিও কলের মাধ্যমে সকলের সঙ্গে কথা বলেন এবং মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ করান। প্রার্থীতা মূল্যয়ন শেষে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত মনোনয়ন প্রত্যয়নপত্র তুলে দেওয়া হয় শরীফুজ্জামানের হাতে। সে অনুযায়ী আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন তিনি। তবে তিনি ছাড়াও এই আসনে আরও দু’জনকে মনোনয়ন তালিকায় রাখা হয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একক প্রার্থী হিসেবে একজনকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, ‘একজন সক্রিয় রাজনীতিবীদ ও জাতীয়তাবাদী দলের ত্যাগী নেতা শরীফুজ্জামান শরীফ। আগামী নির্বাচনে তাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় তবে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি’র বিজয় সুনিশ্চিত।’ সবমিলিয়ে একজন জনবান্ধব ও কর্মীবান্ধব নেতা শরীফুজ্জামান শরীফের হাতেই বিএনপি’র ঐক্যের প্রতীক ‘ধানের শীষ’ তুলে দেবে এমনটাই প্রত্যাশা এই নির্বাচনী এলাকার তৃণমূল নেতৃবৃন্দের।
