ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা মাদারহুদা গ্রামের আলি হোসেন সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল কাদেরের ছেলে আলি হোসেন বলেন- আমার বাড়ি জেহালা ইউনিয়নের মাদারহুদা গ্রামে। একই গ্রামের বাবুল, ইমন ও স্বপ্না আমার ছেলে আশিককে জীবননাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয় তারা আমার বাড়ি ঘর ভেঙ্গে ফেলাসহ আমাদেরকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান- মাদারহুদা গ্রামের মহসিনের মেয়ে স্বপ্না খাতুন আমার ছেলেকে ভালোবাসতো, সে বিভিন্নভাবে আমার ছেলেকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে আসছে। কিন্তু আমার ছেলে আশিকুর তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় সে বাবুল, ইমনদেরকে দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। এরই একপর্যায়ে আমার ছেলে তাদের ভয়ে ঢাকায় চলে যায়। এ সময় স্বপ্না খাতুন মাদারহুদা গ্রামের গোলামের ছেলে বাবলু ও ইমনকে সাথে করে ঢাকায় ইমনের খালায় বাসায় ওঠে। তারা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আমার ছেলে আশিককে বাবলু মোবাইল ফোনে বন্ধু হিসেবে ইমনের খালায় বাসায় বেড়াতে আসার অনুরোধ করলে আশিক কিছু না বুঝে ইমনের খালায় বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে বাবলু ও ইমন ছেলেকে স্বপ্নার সাথে একটি ঘরে আটকিয়ে ব্লাকমেইল করে এবং স্বপ্নার সাথে বিয়ে করতে বাধ্য করে। তারা ঢাকা নবীনগরে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে পড়ায়। ওই দিনই আমার ছেলে সন্ধ্যার দিকে বাসে করে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়ি চলে আসার পর স্বপ্না, বাবলু ও ইমন ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে আসে। বাড়ি এসে আমার ছেলেকে সংসার করতে বাধ্য করানোর জন্য নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। আমার ছেলে আশিক তাদেরকে জানিয়ে দেয় আমি স্বপ্নার সাথে সংসার করতে পারবো না। এরই মধ্যে গত ১৫ নভেম্বর তারিখে চুয়াডাঙ্গা আদালতের মাধ্যমে আমার ছেলে আশিকুর রহমান স্বপ্নাকে তালাকনামা পাঠিয়ে দেয়। এরপর স্বপ্না ও বাবলু গং ক্ষুব্ধ হয়ে আমার ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা আমার ছেলের নামে চুয়াডাঙ্গা আদালতে দুই লাখ টাকা যৌতুকের মিথ্যা মামলা করে। এরপর থেকে বাবলু ও ইমন গং আশিককে নানাভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে আমরা খুব শঙ্কিত অবস্থায় দিনাতিপাত করছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে সুবিচার প্রার্থনা করছি।
