জীবননগরে ২৩ আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের যৌথ প্রতারণা

আপলোড তারিখঃ 2018-11-13 ইং
জীবননগরে ২৩ আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের যৌথ প্রতারণা ছবির ক্যাপশন:
শিক্ষার্থীদের ৪ লাখ টাকা আত্মসাত জীবননগর অফিস: জীবননগরে শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারনা করে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ২৩টি আনন্দ স্কুলের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার জীবননগর সোনালী ব্যাংকে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, উপজেলার ২৩টি আনান্দ স্কুলের ৩৩৫ জন শিক্ষার্থীদের মাথাপিচু ১ হাজার ৫শ’ ২০টাকা হারে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ২শ’ টাকা সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হলেও উপজেলার ২৩টি আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের যোগসাজে, শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু ৫২০ টাকা হারে মোট ১ লাখ ৭৪ হাজার ২শ’ টাকা তাদের হাতে প্রদান করে। আর বাকি ১ হাজার টাকা করে মোট ৪ লাখ ২ হাজার টাকা বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে কোমলমতি শিশুদের নিকট থেকে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী বুলবুলি খাতুন বলে, ব্যাংক থেকে ১ হাজার ৫২০টাকা আমাদের হাতে দিয়ে দেয় বাইরে এসে কাকুলী আপা বলে তোমরা ৫২০টাকা রেখে ১ হাজার টাকা আমার কাছে দিয়ে দাও। এগুলো তোমাদের খাওয়া দাওয়া ও যাতায়াত ভাড়া ও সরকারি খরচ দিতে হবে। এই বলে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যায় আপা। আর বলে এগুলো কাউকে বলবে না। একই অভিযোগ করে আর এক ছাত্র বলে, নিলুফা আপা আমাদের সকলকে ডেক বলে কেউ টাকা নিয়ে চলে যাবা না। সবাই আমার সাথে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আমার সাথে দেখা করবে। তোমাদের টাকার হিসাবগুলো করতে হবে। এই বলে তিনি আমাদের হাতে ৫২০ টাকা দিয়ে দেন। এদিকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অন্যদিকে প্রভাবিত করছেন শিক্ষকরা। কাশিপুর আনন্দ স্কুলের শিক্ষক কাকুলী ও নিলুফা ইয়াসমিনের সাথে কথা বলার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ ধাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। আনন্দ স্কুলের টিসি শাহানারা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে বিষয়টি যদি সত্যা হয় তাহলে যে সমস্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জীবননগর সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার আরিফুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে উপজেলায় ২৩টি আনন্দ স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ হাজার ৫২০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে আনন্দ স্কুলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে কেটে রেখেছে। এ বিষয়টি আমি শোনা মাত্র শিক্ষা অফিসার জানিয়েছি। তাছাড়া ব্যাংক থেকে টাকা দেয়ার সময় আমরা শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড দেখে টাকা দিয়েছি। ব্যাংক থেকে কোন শিক্ষার্থীদের টাকা কম দেয়া হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, টাকা আত্মসাতের বিষয়টি আমি শুনেছি তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে শিক্ষকদের এহেন কর্মকা-ে বিষ্মিত হয়েছে এলাকাবাসী।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)