সার্টিফিকেট মামলায় ঘুম হারাম ১৬’শ কৃষকের

আপলোড তারিখঃ 2018-10-28 ইং
সার্টিফিকেট মামলায় ঘুম হারাম ১৬’শ কৃষকের ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস: কয়েক বছর আবাদে লোকসান হওয়ায় ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ঝুলছে আদালতের সমন। যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারেন এই আশংকায় কৃষকরা রয়েছের আতংকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের সার্টিফিকেট আদালতগুলোতে ১৬শ’ মামলা করেছে বিভিন্ন ব্যাংক। ঋণ খেলাপির এ সব মামলায় অনেক কৃষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। খেলাপি কৃষকরা বলছেন, ফসল ফলানোর জন্য ব্যাংক থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়েছিলেন। সুদের কারণে তা বেড়ে কয়েক গুণ হয়েছে। ওই টাকা পরিশোষ করতে না পারায় এখন তাদের বিরুদ্ধে ৭০ হাজার টাকার মামলা দেয়া হয়েছে। তারা জানান, এই পরিমাণ টাকা পরিশোধ করার মতো সামর্থ্য তাদের নেই। ঋণের সুদ মুওকুফ করা হলে তারা টাকা শোধ করতে পারবেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, খেলাপি ঋণ পরিশোধে মানসিক চাপ তৈরি করতে এ সব মামলা করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঝিনাইদহ কাষ্টসাগরা বাজার শাখার ম্যানেজার খান মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, ‘মানসিক চাপ তৈরি করার এ কৌশলের কারণে কৃষকরা কোর্টে আংশিক টাকা পরিশোধ করেছে। ব্যাংকে এসেও অনেকে দেনা পরিশোধ করছে।’ এবিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, ‘কৃষকরা তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে সম্মিলিতভাবে আবেদন করলে তা সুপারিশসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। তাছাড়া সরকার নির্দেশনা দিলে তাদের সুদ মওকুফও সম্ভব হবে।’ জানা গেছে, ঝিনাইদহের শত শত দরিদ্র চাষি প্রতি বছর ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফসল আবাদ করে থাকেন। ফলে ঋণের সঙ্গে সুদের টাকা যুক্ত হয়ে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)