ছবির ক্যাপশন:
শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, উপলব্ধি ও সংগ্রামী ইতিহাস তুলে ধরতে সারাদেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গাতেও সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বিজয় ফুল তৈরী প্রতিযোগিতা’ ও বিজয় ফুল উৎসব আয়োজন উপলক্ষে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার আহবায়ক ওয়াশীমুল বারী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এবারের বিজয় দিবসে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর সেনানী এবং সাধারণ মানুষকে স্মরণ করা হবে নতুন আঙ্গিকে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি ‘বিজয় ফুল’ তৈরি করা হবে। সেই ফুল ধারণ করবে শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি তাদের অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিজয় ফুল ছড়িয়ে দেয়া হবে। শিশুদের তৈরি বিজয় ফুলের কিছু শুভেচ্ছা মূল্যে বিক্রি হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ ব্যয় করা হবে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বা প্রতিবন্ধীদের সহায়তায়। এতে জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলাকে ‘বিজয় ফুল’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসময় ভিডিও চিত্রের মাধ্যেমে বিজয় ফুলের নকশা উপস্থিতবৃন্দদের মাঝে পরিবেশন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিকাস কুমার সাহা, সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, সদর উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল আহমেদ এবং উপজেলার মাধ্যমিক, প্রাথমিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ।
উপজেলা সূত্রে জানা যায়, ৬টি পাপড়ি ও কলি নিয়ে হবে এই বিজয় ফুল। ফুলের পাপড়ি ৬টি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাকে স্মরণ করাবে। আর মাঝখানের কলিটি হবে ৭ মার্চের প্রতীক- উন্নত মম শির। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওই বিজয় ফুল তৈরির প্রতিযোগিতা শুরু হবে। এতে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। ৩টি গ্রুপে বিভক্ত ওই প্রতিযোগিতায় (ক) গ্রুপে থাকবে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি, (খ). গ্রুপে থাকবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি ও (গ). গ্রুপে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় পর্যায়ে ওই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ঘোষণা করা হবে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছে, দামুড়হুদায় বিজয় ফুল উৎসব ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে ওই বিজয় ফুল উৎসব ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা নাফিস সুলতানা, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম, ইউআরসির ইন্সট্রাক্টর হাবিবুর রহমান, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দীন, আশরাফুল আলম, আবু তালেব, সেলিম রেজা, শাহরিয়ার কবির, দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজি সহিদুল ইসলাম প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদের একটি মজবুত ভীতের উপর দাঁড় করানোর পেছনে শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে। আজকের যে বিজয় ফুল উৎসব তার একটি অর্ন্তনিহিত কারণ রয়েছে। বিজয় ফুল উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, বিজয় ফুল হচ্ছে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। কেন শাপলাকে জাতীয় ফুল করা হয়েছে তারও একটি অর্šÍনিহিত কারণ রয়েছে। শাপলার যে ৬টি পাপড়ী রয়েছে সেগুলো হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা এবং ফুলের কড়িটা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। তিনি আরো বলেন, সেটা মূলত শিশুদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত দেশ প্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। তিনি শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে সকলকে আরো বেশী আন্তরিক হওয়ার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একজন করে সহকারি শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার ও দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দীন।
দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছে, দামুড়হুদায় বিজয় ফুল উৎসব ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে ওই বিজয় ফুল উৎসব ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা নাফিস সুলতানা, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম, ইউআরসির ইন্সট্রাক্টর হাবিবুর রহমান, সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাসির উদ্দীন, আশরাফুল আলম, আবু তালেব, সেলিম রেজা, শাহরিয়ার কবির, দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজি সহিদুল ইসলাম প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদের একটি মজবুত ভীতের উপর দাঁড় করানোর পেছনে শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে। আজকের যে বিজয় ফুল উৎসব তার একটি অর্ন্তনিহিত কারণ রয়েছে। বিজয় ফুল উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, বিজয় ফুল হচ্ছে আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা। কেন শাপলাকে জাতীয় ফুল করা হয়েছে তারও একটি অর্šÍনিহিত কারণ রয়েছে। শাপলার যে ৬টি পাপড়ী রয়েছে সেগুলো হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা এবং ফুলের কড়িটা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। তিনি আরো বলেন, সেটা মূলত শিশুদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃত দেশ প্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। তিনি শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে সকলকে আরো বেশী আন্তরিক হওয়ার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও একজন করে সহকারি শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামসুন্নাহার ও দামুড়হুদা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীফ উদ্দীন।
