ছবির ক্যাপশন:
যতদিন বেঁচে আছি, চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নে কাজ করবো
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিআইপি দিলীপ কুমার বলেন, ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব তো সবার’ তাই দলমত-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষ এই যজ্ঞে আসছেন। আমি যেমন চুয়াডাঙ্গাকে ভালোবাসি, ঠিক তেমনী চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী আমার সকল সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করে চলেছে। তিনি আরো বলেন, এ জেলার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমি সর্বদা চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গাসহ এই জেলার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যতদিন বেঁচে থাকবো চুয়াডাঙ্গার মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো। গতকাল ৫ দিনব্যাপী শুরু হওয়া মহানামযজ্ঞে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জানা যায়, দলমত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের স্বর্তফূর্ত অংশগ্রহনে উৎসবের আমেজে চলছে ৫ দিনব্যাপী ৭ম বার্ষিকী ২৪ প্রহর ব্যাপী অখন্ড শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান। প্রতিবারের ন্যায় এবারো `দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায়` চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী পান্না (পূর্বের নাম রুপছায়া) সিনেমা হল প্রাঙ্গনে শুরু হওয়া মহানামযজ্ঞের গতকাল মঙ্গলবার ছিলো দ্বিতীয় দিন। এদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পূজারী ভক্ত ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল যজ্ঞস্থল। চুয়াডাঙ্গার সনাতন সৎ সংঘের পরিবেশনায় রাত ৮টায় শুরু হয় আরতী-কীর্তন। এছাড়া সকাল থেকে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে পূজারী, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় মুহূর্তেই যজ্ঞস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। রাত-দিন ২৪ ঘন্টা যজ্ঞস্থলে চলছে একটানা প্রসাদ বিতরণ। সিআইপি বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা নিজ হাতে ভক্তের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করছেন।
তারাদেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনিয়ন গ্রুপের পরিচালক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান সিআইপি বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও তার পরিবারবর্গ প্রতিবছর এই মহানামযজ্ঞের আয়োজন করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাত ১১টায় মঙ্গলঘট স্থাপন ও সংকল্পযাত্রা করে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঘটে জল নিয়ে শুভ অধিবাসের মধ্যদিয়ে এই যজ্ঞ শুরু হয়। স্বর্গীয় দোয়ারকা দাস আগরওয়ালা ও স্বর্গীয় পান্না দেবী স্মরণে শুরু হওয়া মহানামযজ্ঞ চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। শেষদিনে ভোগ আরতি ও প্রসাদ বিতরণের মধ্যদিয়ে শেষ হবে তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান।
চুয়াডাঙ্গার আগরওয়ালা পরিবারগুলোর পক্ষে মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করছেন পিন্টু কুমার আগরওয়ালা ও পবিত্র কুমার আগরওয়ালা। এই মহানামযজ্ঞে সিআইপি দিলীপ কুমার আগরওয়ালার সহধর্মিনী সবিতা আগরওয়ালা, বাবা ওম প্রকাশ আগরওয়ালা, মা তারা দেবী, ছোট ভাই পিন্টু আগরওয়ালা ও তার স্ত্রী রেশমী আগরওয়ালাসহ পরিবারের সকলে দেশ মাতৃকা ও বিশ্ব জননীর সকল সন্তানের মঙ্গল কামনার প্রার্থনা মত্ত আছেন।
উল্লেখ্য, ২৪ প্রহরব্যাপী অখন্ড শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানটি সফল করতে ও যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও সিআইপি দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্পেশাল ফোর্স যজ্ঞস্থলে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে যাচ্ছে। এছাড়া সকল ভক্তবৃন্দ যেন সুষ্ঠুভাবে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারে, সেইজন্য সকল স্বেচ্ছাসেবকদেরকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সচেতন করে দেয়া হয়েছে।
তারাদেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনিয়ন গ্রুপের পরিচালক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক, চুয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান সিআইপি বাবু দিলীপ কুমার আগরওয়ালা ও তার পরিবারবর্গ প্রতিবছর এই মহানামযজ্ঞের আয়োজন করে। তারই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাত ১১টায় মঙ্গলঘট স্থাপন ও সংকল্পযাত্রা করে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ঘটে জল নিয়ে শুভ অধিবাসের মধ্যদিয়ে এই যজ্ঞ শুরু হয়। স্বর্গীয় দোয়ারকা দাস আগরওয়ালা ও স্বর্গীয় পান্না দেবী স্মরণে শুরু হওয়া মহানামযজ্ঞ চলবে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। শেষদিনে ভোগ আরতি ও প্রসাদ বিতরণের মধ্যদিয়ে শেষ হবে তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান।
চুয়াডাঙ্গার আগরওয়ালা পরিবারগুলোর পক্ষে মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করছেন পিন্টু কুমার আগরওয়ালা ও পবিত্র কুমার আগরওয়ালা। এই মহানামযজ্ঞে সিআইপি দিলীপ কুমার আগরওয়ালার সহধর্মিনী সবিতা আগরওয়ালা, বাবা ওম প্রকাশ আগরওয়ালা, মা তারা দেবী, ছোট ভাই পিন্টু আগরওয়ালা ও তার স্ত্রী রেশমী আগরওয়ালাসহ পরিবারের সকলে দেশ মাতৃকা ও বিশ্ব জননীর সকল সন্তানের মঙ্গল কামনার প্রার্থনা মত্ত আছেন।
উল্লেখ্য, ২৪ প্রহরব্যাপী অখন্ড শ্রী শ্রী তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানটি সফল করতে ও যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও সিআইপি দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্পেশাল ফোর্স যজ্ঞস্থলে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে যাচ্ছে। এছাড়া সকল ভক্তবৃন্দ যেন সুষ্ঠুভাবে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারে, সেইজন্য সকল স্বেচ্ছাসেবকদেরকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সচেতন করে দেয়া হয়েছে।
