ছবির ক্যাপশন:
গরু ব্যবসায়ীর কঙ্কাল উদ্ধার : মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল
জীবননগর অফিস: জীবননগরে নিখোঁজের ৩৪ দিন পর মাঠ থেকে গরু ব্যবসায়ী জিয়ার কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুরে জীবননগর উপজেলার হাবিবপুর বদনার জোলের মাঠ থেকে এ কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জিয়া জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়ানের হরিপুর গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে। জিয়ার কঙ্কালের অংশবিশেষ ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে মৃত্যু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ধু¤্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্তে নেমেছে জীবননগর থানা পুলিশ।
নিহত জিয়ার স্ত্রী শুকজান বলেন, গত ৩৪ দিন আগে জিয়া ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাছাড়া সে প্রায় বাড়ি থেকে চলে যায় আবার ১ মাস থেকে ২ মাস পর বাড়িতে ফিরে আসে। থানায় জিডি করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে প্রায় বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায় এবং কিছুদিন পর আবার বাড়িতে ফিরে আসে এ জন্য থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। তাছাড়া তার সাথে গ্রামে কারও সাথে কোন দ্বন্দ্ব ছিলোনা। সে আত্মহত্যা করেছে কিনা? এটা আমরা সঠিকভাবে বলতে পারছি না।
সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, জিয়া একজন ভালো মানুষ ছিলো। সে কারো সাথে কোন দিন দ্বন্দ্ব করেননি এবং আমার জানামতে তার সাথে কারো মতদ্বন্দ্ব ছিলো না। সকালে আমি শুনতে পেলাম হাবিবপুর মাঠে কাঠাল গাছের দড়ি বাধা এবং নিচে একটি কঙ্কাল পড়ে আছে। এই সংবাদ শুনে জিয়ার পরিবারের সদস্যরা ওই স্থানে যায় এবং দেখে সেখানে একটি শার্ট ও লুঙ্গি পড়ে আছে। পোশাকগুলো দেখে জিয়ার পরিবারের সদস্যরা জিয়ার লাশ বলে সনাক্ত করে। আমি বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থানে ছুটে আসে এবং কঙ্কালটি ও পোশাকগুলো থানায় নিয়ে যায়।
নিহত জিয়ার ভাই জানান, তার ভাই এবং তার ভাবীর মধ্যে প্রায় দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো। এই ঘটনার এক মাস আগেও তাদের দুইজনের মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত সে নিখোঁজ ছিলো। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় তার পরনের লুঙ্গি ও গায়ের শার্ট দেখে তাকে সনাক্ত করা হয়।
তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, জিয়ারুল ইসলামের এর আগেও একটি স্ত্রী ছিলো। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে ২য় স্ত্রী হিসাবে শুকজানকে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাদের সংসারটি ২টি ছেলে ও ১টি মেয়ে নিয়ে খুব ভালোভাবেই চলতে থাকে। জিয়ারুল আগে থেকেই গরুর ব্যবসা করতো এই ব্যবসার কারনে তাদের বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করতে হত এবং আয়ও ভালো করতো। মাঝে গরুর ব্যবসা মন্দা যাওয়ায় তাদের পরিবারের মধ্যে মতদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। সেই থেকেই প্রায় সে বাড়ি থেকে বিভিন্ন স্থানে চলে যেতো।
এদিকে, স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘ ৩৪ দিন যাবত জিয়া নিখোঁজের পর যে স্থানে তার কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে তার পাশেই কৃষকরা চাষবাদের জন্য মাঠে যেয়ে থাকে। আসলেই আত্মহত্যা করে জিয়ার মৃত্যু হয়েছে নাকি হত্যা করা হয়েছে এ নিয়ে স্থানীয়জনগন ও সচেতন মহলের মধ্যে একটি ধু¤্রজাল বাধতে শুরু করেছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গনি মিয়া জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন জীবননগর হাবিবপুর মাঠের একটি কঙ্কালের অংশ বিশেষ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কঙ্কালের অংশ বিশেষ, লুঙ্গি ও শার্ট উদ্ধার করে থানায় নেয়। পরে জিয়ার স্ত্রী শুকজান থানায় এসে জিয়ার পরিহিত পোষাক দেখে স্বামীর লাশ বলে সনাক্ত করে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহত জিয়া প্রায় ৩৪ দিন আগে নিখোঁজ হয়। তিনি আরও জানান, হত্যা না আত্মহত্যা বিষয়টি তদন্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
নিহত জিয়ার স্ত্রী শুকজান বলেন, গত ৩৪ দিন আগে জিয়া ঝগড়া করে বাড়ি থেকে চলে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাছাড়া সে প্রায় বাড়ি থেকে চলে যায় আবার ১ মাস থেকে ২ মাস পর বাড়িতে ফিরে আসে। থানায় জিডি করার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে প্রায় বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায় এবং কিছুদিন পর আবার বাড়িতে ফিরে আসে এ জন্য থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। তাছাড়া তার সাথে গ্রামে কারও সাথে কোন দ্বন্দ্ব ছিলোনা। সে আত্মহত্যা করেছে কিনা? এটা আমরা সঠিকভাবে বলতে পারছি না।
সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বলেন, জিয়া একজন ভালো মানুষ ছিলো। সে কারো সাথে কোন দিন দ্বন্দ্ব করেননি এবং আমার জানামতে তার সাথে কারো মতদ্বন্দ্ব ছিলো না। সকালে আমি শুনতে পেলাম হাবিবপুর মাঠে কাঠাল গাছের দড়ি বাধা এবং নিচে একটি কঙ্কাল পড়ে আছে। এই সংবাদ শুনে জিয়ার পরিবারের সদস্যরা ওই স্থানে যায় এবং দেখে সেখানে একটি শার্ট ও লুঙ্গি পড়ে আছে। পোশাকগুলো দেখে জিয়ার পরিবারের সদস্যরা জিয়ার লাশ বলে সনাক্ত করে। আমি বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থানে ছুটে আসে এবং কঙ্কালটি ও পোশাকগুলো থানায় নিয়ে যায়।
নিহত জিয়ার ভাই জানান, তার ভাই এবং তার ভাবীর মধ্যে প্রায় দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো। এই ঘটনার এক মাস আগেও তাদের দুইজনের মধ্যে একটি দ্বন্দ্ব হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত সে নিখোঁজ ছিলো। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় তার পরনের লুঙ্গি ও গায়ের শার্ট দেখে তাকে সনাক্ত করা হয়।
তথ্যনুসন্ধানে জানা গেছে, জিয়ারুল ইসলামের এর আগেও একটি স্ত্রী ছিলো। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে ২য় স্ত্রী হিসাবে শুকজানকে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাদের সংসারটি ২টি ছেলে ও ১টি মেয়ে নিয়ে খুব ভালোভাবেই চলতে থাকে। জিয়ারুল আগে থেকেই গরুর ব্যবসা করতো এই ব্যবসার কারনে তাদের বিভিন্নস্থানে যাতায়াত করতে হত এবং আয়ও ভালো করতো। মাঝে গরুর ব্যবসা মন্দা যাওয়ায় তাদের পরিবারের মধ্যে মতদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। সেই থেকেই প্রায় সে বাড়ি থেকে বিভিন্ন স্থানে চলে যেতো।
এদিকে, স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘ ৩৪ দিন যাবত জিয়া নিখোঁজের পর যে স্থানে তার কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে তার পাশেই কৃষকরা চাষবাদের জন্য মাঠে যেয়ে থাকে। আসলেই আত্মহত্যা করে জিয়ার মৃত্যু হয়েছে নাকি হত্যা করা হয়েছে এ নিয়ে স্থানীয়জনগন ও সচেতন মহলের মধ্যে একটি ধু¤্রজাল বাধতে শুরু করেছে।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গনি মিয়া জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন জীবননগর হাবিবপুর মাঠের একটি কঙ্কালের অংশ বিশেষ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কঙ্কালের অংশ বিশেষ, লুঙ্গি ও শার্ট উদ্ধার করে থানায় নেয়। পরে জিয়ার স্ত্রী শুকজান থানায় এসে জিয়ার পরিহিত পোষাক দেখে স্বামীর লাশ বলে সনাক্ত করে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নিহত জিয়া প্রায় ৩৪ দিন আগে নিখোঁজ হয়। তিনি আরও জানান, হত্যা না আত্মহত্যা বিষয়টি তদন্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
