ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার ডিসি-এসপি-সিও-মেয়র উপভোগ করলেন শারদ উৎসব
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সার্বক্ষণিক নজরদারি ও স্থানীয় সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের সহযোগিতায় জেলার ১১৩টি পূূজাম-পে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য ও উৎসবমুখরতায় গতকাল বৃহস্পতিবার মহাঅষ্টমী উদযাপিত হলো। এ সময় বিভিন্ন ম-পে নারী-পুরষ একত্রিত হয়ে ফুল, বেলপাতা হাতে নিয়ে অঞ্জলি প্রদানের মধ্য দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। সকালে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি পূজা ম-পেই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল পুণ্যার্থীদের ভিড়। প্রার্থনার পাশাপাশি এসব ম-পে গান বাজনা ও ঢাক-কাসরের শব্দে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ম-পগুলোর পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনসহ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। এদিকে, মহাঅষ্টমীর সন্ধ্যায় একসাথে চুয়াডাঙ্গার সকল শীর্ষ স্থানিয় উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করেছেন। গতকাল সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান (পিপিএম), চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্ণেল ইমাম হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান, প্যানেল মেয়র একরামুল হক মুক্তা। এসময় জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সুন্দর ও সৌহার্দ্য পরিবেশে আভিজাত্যের সহিত শারদীয় দুর্গা পূজা উৎযাপিত হচ্ছে। কোন ভেদাভেদ ছাড়াই সব ধর্মের মানুষের পদচারণায় মূখরিত হতে দেখেছি পূজা ম-পগুলো। আমরা বলে থাকি ধর্ম যার যার উৎসব সবার, আমার চুয়াডাঙ্গাতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেই উৎসব পালন করছি, দেখে ভালো লাগছে। আমরা সচেতন হবো কোনো রকম যেন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে না।
এসময় চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে পৌর পরিষদ কতৃক অনুদান হস্তান্তর করেন অতিথিরা। পরে, গাড়ী বহর নিয়ে সকল কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, শ্রী শ্রী সত্য নারায়ণ বারোয়ারী দূর্গা মন্দির, শিব মন্দির মহিলা সংঘ, বেলগাছি বারোয়ারী সার্বজনিন দূর্গা মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করেন।
