ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে গোপন বৈঠককালে ডিবি ও সদর থানা পুলিশের অভিযান
জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, সদস্য ফরম, ল্যাপটপ ও প্রিন্টারসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে জেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারীসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মিকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। এসময় সেখান থেকে ৫টি বোমাসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, জামায়াত-শিবিরের সদস্য ফরম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কাগজপত্রসহ ৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর পৌর এলাকার কেদারগঞ্জ মালোপাড়াস্থ জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ওসি দেলোয়ার হোসেন খানের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে এদেরকে আটক করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ। এদিকে, আটকের পর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেস বিফ্রিং করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ। প্রেস বিফ্রিংয়ে সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন খান, তদন্ত ওসি আব্দুল খালেক, ডিবির এসআই আশরাফ বিশ্বাস ও সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মকবুল হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আটককৃতরা হলো- চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার গুলশানপাড়ার মৃত আজিজুর রহমান মালিকের ছেলে আনোয়ারুল হক মালিক (৬৩), জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জীবননগর উপজেলার ধোপাখালীর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এ্যাডভোকেট রুহুল আমিন (৪২), পৌর এলাকার রূপছায়া সিনেমা হলপাড়ার খাইরুল ইসলামের ছেলে ও জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল (৪০), জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে শিবিরের সভাপতি মাহফুজ রহমান (২৬), দামুড়হুদা উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শিবিরের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুক কবির (২২), চুয়াডাঙ্গা কবরী রোডের মৃত জহুরুল ইসলামের ছেলে জব্বার উর রহমান (২৮), আলমডাঙ্গার ভাঙবাড়িয়ার আব্দুল হান্নানের ছেলে ও শিবিরের সদস্য কাইয়ুম উদ্দিন হিরক (২৫) ও গুলশানপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে শরিফ। তবে জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয় যে বাড়িতে অবস্থিত সেই বাড়ির মালিকের ছেলে সুমনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে রেখেছে। সুমনের বিষয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জের জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদ পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইনামুল হক ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলাওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের চৌকস দল অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নেতাকর্মিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল হক মালিক, সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জীবননগর থানা শিবিরের সভাপতি মাহফুজ রহমান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুক কবির, জব্বার উর রহমান, জেলা শিবিরের সদস্য কাইয়ুম উদ্দিন হিরক ও শরিফকে আটক করা হয়। পরে অফিসে তল্লাশি করে ৫টি বোমাসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, জামায়াত-শিবিরের সদস্য ফরম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কাগজপত্রসহ ৪টা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যাক্ষদর্র্শীরা জানান, বুধবার বিকালে জামায়াতের নেতাকর্মিরা তাদের কার্যালয়ে আসতে থাকে। সন্ধ্যার পর পুলিশের একটি গাড়ি কার্যালয়ের সামনে এসে থামে। এসময় পুলিশের সদস্যরা কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরে ৮ জনকে আটক করে নিয়ে যায় এবং একটি বালতিতে করে বোমা উদ্ধার করেও নিয়ে যায় পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি কেদারগঞ্জ এলাকার একটি বাড়িতে নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এদিকে, আটকের পর প্রেস বিফ্রিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় নাশকতামূলক কর্র্মকা- সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কেদারগঞ্জ এলাকার একটি বাড়িতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা গোপন বৈঠক মিলিত হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশের চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে জেলা জামায়াতের আমির, সেক্রেটারী ও শিবির সভাপতিসহ মোট ৮ জনকে আটক করা হয়। পরে অফিস তল্লাশি করে ৫টি বোমাসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, জামায়াত-শিবিরের সদস্য ফরম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দিয়ে আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানায়।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারিসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মিকে আটকের ঘটনা মুহূর্তে জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি-জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মিদের মধ্যে আটক আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে আটক এড়াতে ভয়ে গা’ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যায়।
আটককৃতরা হলো- চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার গুলশানপাড়ার মৃত আজিজুর রহমান মালিকের ছেলে আনোয়ারুল হক মালিক (৬৩), জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জীবননগর উপজেলার ধোপাখালীর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এ্যাডভোকেট রুহুল আমিন (৪২), পৌর এলাকার রূপছায়া সিনেমা হলপাড়ার খাইরুল ইসলামের ছেলে ও জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল (৪০), জীবননগর উপজেলার মিনাজপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে শিবিরের সভাপতি মাহফুজ রহমান (২৬), দামুড়হুদা উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শিবিরের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুক কবির (২২), চুয়াডাঙ্গা কবরী রোডের মৃত জহুরুল ইসলামের ছেলে জব্বার উর রহমান (২৮), আলমডাঙ্গার ভাঙবাড়িয়ার আব্দুল হান্নানের ছেলে ও শিবিরের সদস্য কাইয়ুম উদ্দিন হিরক (২৫) ও গুলশানপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে শরিফ। তবে জামায়াতের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয় যে বাড়িতে অবস্থিত সেই বাড়ির মালিকের ছেলে সুমনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে রেখেছে। সুমনের বিষয়ে কোন স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কেদারগঞ্জের জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদ পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইনামুল হক ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলাওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের চৌকস দল অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নেতাকর্মিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল হক মালিক, সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, জীবননগর থানা শিবিরের সভাপতি মাহফুজ রহমান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুক কবির, জব্বার উর রহমান, জেলা শিবিরের সদস্য কাইয়ুম উদ্দিন হিরক ও শরিফকে আটক করা হয়। পরে অফিসে তল্লাশি করে ৫টি বোমাসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, জামায়াত-শিবিরের সদস্য ফরম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কাগজপত্রসহ ৪টা মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যাক্ষদর্র্শীরা জানান, বুধবার বিকালে জামায়াতের নেতাকর্মিরা তাদের কার্যালয়ে আসতে থাকে। সন্ধ্যার পর পুলিশের একটি গাড়ি কার্যালয়ের সামনে এসে থামে। এসময় পুলিশের সদস্যরা কার্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করে। কিছুক্ষণ পরে ৮ জনকে আটক করে নিয়ে যায় এবং একটি বালতিতে করে বোমা উদ্ধার করেও নিয়ে যায় পুলিশ।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি কেদারগঞ্জ এলাকার একটি বাড়িতে নাশকতামূলক কর্মকা-ের উদ্দেশ্যে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এদিকে, আটকের পর প্রেস বিফ্রিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় নাশকতামূলক কর্র্মকা- সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কেদারগঞ্জ এলাকার একটি বাড়িতে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মিরা গোপন বৈঠক মিলিত হয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশের চৌকশ দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে জেলা জামায়াতের আমির, সেক্রেটারী ও শিবির সভাপতিসহ মোট ৮ জনকে আটক করা হয়। পরে অফিস তল্লাশি করে ৫টি বোমাসহ বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই, ব্যানার-ফেস্টুন, জামায়াত-শিবিরের সদস্য ফরম, ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দিয়ে আজ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানায়।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারিসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মিকে আটকের ঘটনা মুহূর্তে জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি-জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মিদের মধ্যে আটক আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে আটক এড়াতে ভয়ে গা’ঢাকা দিয়েছে বলে জানা যায়।
