ছবির ক্যাপশন:
দায়িত্বভার নিলেন নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন এবং সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ঢাকায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব হিসাবে যোগদানের উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করেছেন। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় বিদায়ী জেলা প্রশাসক ও নবাগত জেলা প্রশাসক চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন। এরপর ১০টা ১০ মিনিটে তারা চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনারের সাথে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারী, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান, দামুরহুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানসহ জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনারবৃন্দ। পরে তারা ট্রেজারি শাখা পরিদর্শন করেন। ট্রেজারী শাখা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের চেম্বারে বিদায়ী জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসের হাতে দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন। এরপর তারা জেলা প্রশাসকের বাসভবনে মধ্যহ্ন ভোজ করেন। দুপুর দুইটার দিকে জেলা প্রশাসকের বাসভবন হতে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করার উদ্দেশ্যে বিদায়ী জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ও তার সহধর্মীনী বের হন। এসময় তার গাড়ি বহরে জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা বারোটি গাড়িসহ বিশাল বহর নিয়ে বের হন। এসময় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা অশ্রুসিক্ত নয়নের মধ্য দিয়ে বিদায় জানায়। গাড়ি বহরসহ জেলা বিদায়ী জেলা প্রশাসক বাসভবন হতে কোর্ট মোড়ে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান চুয়াডাঙ্গার একদল মানুষ।
এসময় রাস্তার দু’ধারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেয়া যায় বহু মানুষকে। এরপর গাড়িবহর চুয়াডাঙ্গা ভি. জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌছালে সেখানে মানুষের ভিড়ে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ মানুষের মাঝে গাড়ি থেকে নেমে বিদায়ী শুভেচ্ছা নেন। তারপর গাড়িবহর চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার শহিদ হাসান চত্বরে এস পৌঁছালে সেখানে তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানায় চুয়াডাঙ্গার সর্বস্তরের জনগণ। গাড়ি বহর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে আসলে তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানায় পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপুসহ চুয়াডাঙ্গা পৌর পরিষদ। এসময় অনেককেই অশ্রুসিক্ত নয়নে দেখা যায়। চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের সামনে এসে পৌছালে স্কুলের বাচ্চারা রাস্তার ধারে দাড়িয়ে তাকে বিদায় জানায়। এসময় জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ও তার সহধর্মী বাচ্চাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় এবং নবাগত জেলা প্রশাসককে পরিচয় করিয়ে দেয়। বিদায়ী জেলা প্রশাসকের সাথে গাড়িবহর নিয়ে চুয়াডাঙ্গার শেষ স্থান বদরগঞ্জ পর্যন্ত যায় নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারী, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান, দামুরহুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানসহ জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনারবৃন্দ। শেষ মুহুর্তে অনেককেই দেখা যায় অশ্রুসিক্ত নয়নে।
এসময় জেলা প্রশাসনের এক কর্মচারী বিদায়ী জেলা প্রশাসক সম্পর্কে অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন, তিনি ছিলেন খুবই আন্তরিক মানুষ। তার কাছে কোন সমস্যা আসলে তিনি হাস্যোজ্জ্বল মুখে তা সমাধান করার চেষ্টা চালিয়ে যেতেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর একজন প্রকৃত বন্ধু হিসাবে এই জেলার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তাঁকে রাঙ্গামাটি জেলাবাসী চিরদিন স্মরণে রাখবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারী, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান, দামুরহুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানসহ জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনারবৃন্দ। পরে তারা ট্রেজারি শাখা পরিদর্শন করেন। ট্রেজারী শাখা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের চেম্বারে বিদায়ী জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসের হাতে দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন। এরপর তারা জেলা প্রশাসকের বাসভবনে মধ্যহ্ন ভোজ করেন। দুপুর দুইটার দিকে জেলা প্রশাসকের বাসভবন হতে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করার উদ্দেশ্যে বিদায়ী জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ও তার সহধর্মীনী বের হন। এসময় তার গাড়ি বহরে জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা বারোটি গাড়িসহ বিশাল বহর নিয়ে বের হন। এসময় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা অশ্রুসিক্ত নয়নের মধ্য দিয়ে বিদায় জানায়। গাড়ি বহরসহ জেলা বিদায়ী জেলা প্রশাসক বাসভবন হতে কোর্ট মোড়ে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান চুয়াডাঙ্গার একদল মানুষ।
এসময় রাস্তার দু’ধারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেয়া যায় বহু মানুষকে। এরপর গাড়িবহর চুয়াডাঙ্গা ভি. জে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌছালে সেখানে মানুষের ভিড়ে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ মানুষের মাঝে গাড়ি থেকে নেমে বিদায়ী শুভেচ্ছা নেন। তারপর গাড়িবহর চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার শহিদ হাসান চত্বরে এস পৌঁছালে সেখানে তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানায় চুয়াডাঙ্গার সর্বস্তরের জনগণ। গাড়ি বহর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে আসলে তাকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানায় পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপুসহ চুয়াডাঙ্গা পৌর পরিষদ। এসময় অনেককেই অশ্রুসিক্ত নয়নে দেখা যায়। চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের সামনে এসে পৌছালে স্কুলের বাচ্চারা রাস্তার ধারে দাড়িয়ে তাকে বিদায় জানায়। এসময় জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ও তার সহধর্মী বাচ্চাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় এবং নবাগত জেলা প্রশাসককে পরিচয় করিয়ে দেয়। বিদায়ী জেলা প্রশাসকের সাথে গাড়িবহর নিয়ে চুয়াডাঙ্গার শেষ স্থান বদরগঞ্জ পর্যন্ত যায় নবাগত জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জসীম উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা পারভীন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওয়াশীমুল বারী, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান, দামুরহুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল হাসানসহ জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনারবৃন্দ। শেষ মুহুর্তে অনেককেই দেখা যায় অশ্রুসিক্ত নয়নে।
এসময় জেলা প্রশাসনের এক কর্মচারী বিদায়ী জেলা প্রশাসক সম্পর্কে অশ্রুসিক্ত নয়নে বলেন, তিনি ছিলেন খুবই আন্তরিক মানুষ। তার কাছে কোন সমস্যা আসলে তিনি হাস্যোজ্জ্বল মুখে তা সমাধান করার চেষ্টা চালিয়ে যেতেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর একজন প্রকৃত বন্ধু হিসাবে এই জেলার জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তাঁকে রাঙ্গামাটি জেলাবাসী চিরদিন স্মরণে রাখবে।
