ছবির ক্যাপশন:
আকিমুল ইসলাম: চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহ ইউনিয়নের বড় শলুয়া গ্রামের সন্তান এবং বড় শলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ক্ষুদে বিজ্ঞানি জয়নাল আবেদীন আবারো আবিষ্কার করলেন একটি ডিজিটাল ডিভাইস। এটা মূলত কোর্টের ফিউজিং কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার নির্ভর একটি ডিভাইস। যার দুইটি অংশ- একটি হলো সফটওয়্যার নির্ভর টাইমিং ও তাপমাত্রা নির্ধারণকারী যন্ত্র। এর কাজ হলো তাপমাত্রা উচ্চমাত্রাই হয়ে গেলে সংকেত দিবে, তাপমাত্রা যেন কম বা বেশি না হয়ে যাই সেটা নির্ধারণ করবে এবং সঠিক পরিমাপের তাপমাত্রা সঞ্চয় করে রাখবে। আর অপর ডিভাইসটি হলো একটি বৈদ্যুতিক হিটার। এই দুইটির সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে ডিজিটাল ফিউজিং মেশিন। বাইরের দেশে যেগুলো প্রচলিত তাহলো এনালগ টাইপের। তবুও তার মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। আর এটি আবিষ্কার করতে খরচ হয় মাত্র ১০ হাজার ৬শ’ টাকা। এটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি। এটাই সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আবিষ্কার হলো। এটি সব দিক দিয়ে এবং গুনগত মানও ভালো। এটি বর্তমানে হিজলগাড়ী বাজারে দিন টেইলার্সে ব্যবহৃত হচ্ছে।
দিন টেইলার্সের মালিক হাসিবুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমি বিগত ১০ বছর মালায়েশিয়াতে কাজ করেছি। সেখানে যে ফিউজিং মেশিন দ্বারা কাজ করেছি তা দিয়ে কাজ করা অনেক কষ্টসাধ্য এবং ক্রয় করা ব্যয়বহুল। যা আমাদের মতো দারিদ্য রাষ্ট্রের সকল টেইলার্সদের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব নয়। কিন্তুু ক্ষুদে বিজ্ঞানি জয়নাল আবেদীনের আবিষ্কৃত এই ডিভাইসটির ব্যবহার যেমন ঝুঁকিহীন তেমনি সকল টেইলার্সদের ক্রয়সাধ্য। আমাদের দেশে যদি এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় তবে দেশ আরো দ্রুত উন্নতির দিকে অগ্রসর হবে।
ক্ষুদে বিজ্ঞানি জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের জানায়, ইতিপূর্বে ৩২ প্রকার যে যন্ত্রগুলো আবিষ্কার করা হয়েছিলো তার মধ্যে ৩টি ডিভাইসের ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে হলো ডিজিটাল কন্টোলার ডিভাইস, সিকিউরিটি ডিভাইস এবং ওয়াটার লিভেল ডিটেক্টর। তিনি আরো বলেন, আর কিছু দিনের মধ্যেই আরো দুটি ডিভাইসের কাজ শেষ হবে। একটি হলো টিস্যু কাপড় লকার এবং অন্যটি হলো ডিজিটাল ঃযঁহফবৎরহমং প্রটেকশন। যেটি বজ্রপাতের কবল থেকে বৈদ্যুতিক ডিভাইসকে রক্ষা করার অন্যতম ডিভাইস।
