ডেস্ক রির্পোট: সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকদের রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহ করছে গোয়েন্দা সংস্থা। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অনেকটা গোপনে চলছে এ কাজ। সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক পরিচয়, তাদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গত আগস্ট মাস থেকেই এই তৎপরতা শুরু হয়েছে। যদিও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহের জন্য কোনো চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেয়নি নির্বাচন কমিশন। এমনকি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিচয় কমিশনের জানার প্রয়োজন নেই বলে নির্বাচন কমিশনের সচিব জানিয়েছেন। তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, এটি নিয়মিত কাজের অংশ। তবে স¤প্রতি উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। চলতি মাসেই তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি। স‚ত্রমতে, ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়ের নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন মাঠ পর্যায়ের কাজ চলছে। আগামী নির্বাচনে দাযিত্ব পালন করতে পারেন এ রকম কর্মকর্তা-শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত সরকারি একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত মাসে তাদের তথ্য সংগ্রহ করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। অতীতে তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি-না, এমনকি তাদের পরিবারের কোনো সদস্য রাজনীতিতে সম্পৃক্ত কি-না, সেই দলের নাম, পদসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ সব তথ্যের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে প্রশাসনের রদবদলের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অতীতেও জাতীয় সংষদ নির্বাচনের আগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে রদবদল হয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের নিজেদের ও পরিবারের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিস্তারিত তথ্য এভাবে সংগ্রহ করা হয়নি। বিশেষ করে শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
