ছবির ক্যাপশন:
নৌকা মার্কায় ভোট চাই, এমপি পদে পরিবর্তন চাই
জীবননগর অফিস: বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। চুয়াডাঙ্গা-২ আসন এলাকার উন্নয়নে আমি আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আমি প্রতিদিনই চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের নির্বাচনী এলাকার মানুষের সাথে কথা বলি। এই নির্বাচনী এলাকার কোথাও না কোথাও দলীয় নেতাকর্মিদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কর্মিসভা-জনসভায় যোগ দিই। সবখানেই একই আওয়াজ-মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়ে এই আসনে সংসদ সদস্য পদে পরিবর্তন চায়। বর্তমানে বাংলাদেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলেও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত। বিগত দিনে যারা এই আসন থেকে এমপি হয়েছেন, তারা এই এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেনি। বরং এই অঞ্চল থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করে নিজের ভাগ্যোন্নয়ন করেছেন। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আমার নেত্রীর নৌকার বিজয়ে আমার পাশে থাকলে এই অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করবো। কারণ আমার নেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের মনের ভাষা বোঝেন। আমার বিশ্বাস তিনি আপনাদের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে এই এলাকার উন্নয়নে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য বাতিল নেতার পরিবর্তে যোগ্য নেতার হাতেই নৌকা প্রতীক তুলে দিবেন। জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে মুক্তমঞ্চে সাম্প্রতিককালের বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের আ.লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি নজরুল মল্লিক।
গতকাল বিকাল ৪টায় যুবলীগ নেতা এ্যাড. আকিমুল ইসলামের পরিচালনায় জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে মুক্তমঞ্চে জনসমাবেশ শুরু হয়। দুপুর থেকেই জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা স্লোগান সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুনসহ খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মিরা সমাবেশে যোগ দেন। সমাবেশ শুরুর আগেই নেতাকর্মিদের উপস্থিতিতে বাসস্ট্যান্ড চত্বরের মুক্তমঞ্চস্থল পূর্ন হয়ে যায়। এরপরও একের পর এক আসতে থাকে মিছিল। সমাবেশস্থল ছাপিয়ে আশপাশের সড়কে অবস্থান নেয় নেতাকর্মিরা। বিকাল ৫টায় সমাবেশের প্রধান অতিথি নজরুল মল্লিক মঞ্চে উপস্থিত হলে হাজার হাজার নেতাকর্মি মূহুর্মুহু করতালিতে তাদের নেতাকে অভিন্দন জানান। এসময় তিনি হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিনন্দনের জবাব দিয়ে তিনি আরো বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বই পারে বাংলাদেশকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। তাই কারোর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নয়, আসুন সংগঠনের জন্য কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে। তাই জামায়াত-বিএনপি দেশের উন্নয়নকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। দেশ আজ যে উন্নয়নের ধারায় আছে তা আগামীতে বজায় রাখার জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারকে পুনরায় নির্বাচিত করার আহবান জানিয়ে সর্বশেষ তিনি বলেন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আ.লীগ সরকারের বিকল্প নেই। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। সর্বশেষে তিনি নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, বাঁকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান মাষ্টার, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মকলেচুর রহমান টজো, মনোহরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশিদ, হাসাদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেক মাষ্টার, আওয়ামী লীগ নেতা রাজা মিয়া, যুবলীগ নেতা কাজী শামসুর রহমান চঞ্চল, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শাহাবুল হোসেন, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সামসুজ্জোহা, সাধারণ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আতিয়ার রহমান, সীমান্ত ইউনিয়ন প্রজন্মলীগের সভাপতি আমিনুর রহমান, যুবলীগ নেতা শামিম ফেরদৌসসহ সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
