ছবির ক্যাপশন:
আওয়াল হোসেন/ওয়াসিম রয়েল: ঈদুল আযহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি আছে। আর এই ঈদকে সামনে রেখে হাটের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে শুরু হয়েছে পশু বেঁচাকেনা। সেই সাথে কামার পল্লীগুলো টুংটাং শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে। বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার ঘটায় ক্রমেই বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী কামার শিল্প। আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার, প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, কারিগরদের মজুরী বৃদ্ধি, তৈরি পণ্য সামগ্রীর বিক্রি মূল্য কম, কয়লার মূল্য বৃদ্ধি, বিদেশ থেকে বড় বড় ব্যবসায়ীদের স্টীল সামগ্রী আমদানি, চরম আর্থিক সংকট, উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা কম ও বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে এ শিল্প আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। তারপরেও আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে দর্শনার বিভিন্ন হাট-বাজারে কামারপট্টিতে দেশী প্রযুক্তির ছুরি, কাটারি, বটি, দা ও কুঠার তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকাররা। দীর্ঘ ১১ মাস অলস সময় পার করার পর এই এক মাস কোরবানীর পশু জবাই ও মাংস বানানোর কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পা করছেন তারা। দর্শনার বিভিন্ন কামারপল্লীতে ইতোমধ্যেই গ্রামের লোকজন কর্মকারদের কাছে ধারালো চাকু, বটি ও কাটারি তৈরির আগাম অর্ডার দেয়া শুরু করেছে। কামারপল্লী ও হাট-বাজারগুলো এখন দিন রাত টুং-টাং শব্দে মুখরিত এবং কামারশালায় ব্যস্ত সময় পার করছে কর্মকার সম্প্রদায়ের মানুষ।
