ছবির ক্যাপশন:
সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির বিষয়ে চাপ রয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের ইজারাভুক্ত বড়বাজার নীচের বাজারের দোকান ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও দোকান মালিকসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম, জেলা পরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম সাহান, সহকারি প্রকৌশলী সামাদুল ইসলাম, উপ-সহকারি প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা রমজান আলী, জেলা পরিষদ সদস্য খলিলুর রহমান, মাফলুকাতুর রহমান সাজু ও মাহবুবুবর রহমান মোল্লা এবং নীচের বাজারের জেলা পরিষদের ইজারাভুক্ত দোকান ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কবীর, যুবলীগ নেতা শরীফ হোসেন দুদু ও ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের জগলু বক্তব্য রাখেন। জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম বলেন, ব্যবসায়ীরা যে যেখানে আছেন, সেখানেই থাকবেন। জেলা পরিষদের জায়গা হলেও আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাৎসরিক ইজার নিয়ে চলবে না। যে কারনে চিন্তা ভাবনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।এছাড়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা আরো সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সবার মতামত নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এজন্য সবার সহযোগীতা লাগবে। জেলা পরিষদ থেকে ব্যবসায়ীদের সবরকম সহযোগীতা করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদের জমি দখলমুক্ত করে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির বিষয়ে জেলা পরিষদের ওপর চাপ রয়েছে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কবীর, যুবলীগ নেতা শরীফ হোসেন দুদু ও ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের জগলু বক্তব্য রাখেন। জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম বলেন, ব্যবসায়ীরা যে যেখানে আছেন, সেখানেই থাকবেন। জেলা পরিষদের জায়গা হলেও আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাৎসরিক ইজার নিয়ে চলবে না। যে কারনে চিন্তা ভাবনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।এছাড়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্যবসায়ীদের ব্যবসা আরো সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সবার মতামত নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এজন্য সবার সহযোগীতা লাগবে। জেলা পরিষদ থেকে ব্যবসায়ীদের সবরকম সহযোগীতা করা হবে। পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদের জমি দখলমুক্ত করে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির বিষয়ে জেলা পরিষদের ওপর চাপ রয়েছে।
