ছবির ক্যাপশন:
ওয়াসিম রয়েল: জাতীয় মজুরী স্কেল-২০১৫ মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হওয়ায় সেক্টর কর্পোরেশন শ্রমিক ফেডারেশনের সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে একযোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র্যালি হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ মজুরী স্কেল অনুমোদিত হওয়ায় সারা দেশের ন্যায় গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে দর্শনা কেরুজ চিনিকলের রেশনশপ সংলগ্ন স্থানে দর্শনা কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি তৈয়ব আলীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকবান্ধব, শিল্পবান্ধব ও উন্নয়নের সরকার। তাই তিনি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ শ্রমিক-কর্মচারীদের মানবতার জীবনযাপনের কথা ভেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ মজুরী কমিশন ঘোষণা করেছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শ্রমিকদের কল্যাণে আমরা বারবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনাকে দেখতে চাই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাছুদুর রহমান, সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স, শ্রমিক নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক খবির উদ্দিন, শ্রমিক নেতা ইসমাইল হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবেক সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, শ্রমিক নেতা আতিয়ার রহমান, সাহেব আলী, শফিকুল আলম, মানুয়ার রহমান, হাফিজ উদ্দিন, হাজী মো. আক্রাম আলী, আয়ুব আলী সন্টু, শরিফুল ইসলাম বাবর আলী, আনিসুল ইসলাম, সুমন প্রমূখ। বক্তব্য শেষে প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারীরা ঢাক ঢোল বাদ্য যন্ত্রের তালে তালে আনন্দ র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন অত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ফারুক আহম্মেদ।
উল্লেখ্য, সেক্টর কর্পােরেশন শ্রমিক ফেডারেশনের সমন্বয় পরিষদের ডাকে জাতীয় মজুরী স্কেল ২০১৫ ঘোষণা ও বাস্তবায়নে ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ব সেক্টরের ৪টি শ্রমিক ফেডারেশন যথাক্রমে বিসিআইসি, ইস্পাত ও প্রকৌশল, চিনিকল ও এফআইডিসি শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সমন্বয়ে গঠিত সেক্টর কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক সর্বনি¤œ ৮৭৫০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১৩৫০০ টাকা মজুরী নির্ধারণ করে ১ জুলাই ২০১৫ তারিখ হতে কার্যকর করার লক্ষে আন্দোলনে মাঠে নামে। এরই ফল স্বরুপ গত ২ জুলাই-২০১৮ মন্ত্রীসভায় শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে জাতীয় মজুরী কমিশন ২০১৫ অনুমোদিত হয়।
