চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে আলোচিত ও কথিত সাংবাদিক রনি-বিপ্লবের কা-!
দর্শনা অফিস: দর্শনায় আলোচিত কথিত সাংবাদিক রনি-বিপ্লবের পিটুনিীতে ঝাঁঝাডাঙ্গা গ্রামের রমজান নামের এক ভ্যানচালক রক্তাক্ত জখম হয়ে গুর`ত্বর আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড রশিক শাহ’র মাজারের নিকট এ ঘটনাটি ঘটে। এতে কথিত সাংবাদিকের লোহার পাইপের আঘাতে রমজান গুর`ত্বর আহত হয়। এসময় উত্তেজিত জনতার রোষানলে পড়ে ওই দুই সাংবাদিক। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ভ্যানচালককে উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করে। পরে ব্যবসায়ী কমিটির বিচারের প্রতিশ্র`তিতে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল আটকে রেখে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই আলোচিত ২ সাংবাদিককে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড চৌরাস্তার মোড়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের উপর ছিটকে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে কথিত সাংবাদিক রণি ও বিপ্লব। এসময় কথিত সাংবাদিকদ্বয়ের সামনে দিয়ে চলে যাওয়া একটি ভ্যান চালককে দোষ দিয়ে দ্র`ত মোটরসাইকেল নিয়ে ভ্যানচালককে ধরতে ধাওয়া করে। দর্শনা-জীবননগর সড়কের দর্শনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রশিক শাহর মাজারের নিকট পৌছে মোটরসাইকেল সামনে আড় করে দিয়ে ভ্যানের গতিরোধ করে। কথিত সাংবাদিকদ্বয়ের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সিটের নিচে লুকিয়ে রাখা সাড়ে ৩ ফুট লম্বা ২টি এসএস পাইপ বের করে বেদমভাবে পিটাতে থাকে ওই নিরিহ ভ্যানচালকে। এতে দামুড়হুদা উপজেলার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের ঝাঁঝাডাঙ্গা গ্রামের বেলে মাঠ মাদ্রাসাপাড়ার নিমচাঁদ বিশ্বাসের ছেলে ভ্যানচালক রমজান আলী (৪৩) রক্তাক্ত জখম হয় এবং তার বামহাতটি কজ্বির উপর দিকে ভেঙ্গে গুর`ত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের রোষানলে পড়ে কথিত সাংবাদিক রণি ও বিপ্লব। এরই এক পর্যায় উত্তেজিত জনতার রোষনাল থেকে কৌশলে সটকে পড়ে সাংবাদিক বিপ্লব। পরে স্থানীয় লোকজন আহত ভ্যানচালককে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করে। এসময় দর্শনা বাসস্ট্যান্ড ব্যাবসায়ী কমিটির সাধারন সম্পাদক কামাল উদ্দিন সান্টু ঘটনাস্থলে পৌছে জনতার রোষানল থেকে সাংবাদিক রণিকে রক্ষা করে। এমন খবর শুনে দ্র`ত ঘটনা স্থলে পৌছায় দর্শনা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।
পরে ব্যবসায়ী কমিটি ও রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হবা জোয়ার্দারে সমোঝতায় আজ বিচার সালিস বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে, আহত ভ্যানচালককে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গায় নেওয়া হয়েছে। এ খবর জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌছায় দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস কুন্ডু, তদন্ত ওসি এমদাদ হোসেন, সেকেন্ড অফিসার রাজিবসহ সঙ্গীয় ফোর্স। জনগনের সমালোচনায় উঠে আসে একজন সাংবাদিক কেন তার ব্যাবহৃত মোটরসাইকেলে এ ধরনের পাইপ লুকিয়ে রাখে। উদ্যেশ্যই বা কি?
