নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সিএন্যান্ডবিপাড়ায় শ্বশুর বাড়িতে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক জামায়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যঅ ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যার চেষ্টাকারী চুয়াডাঙ্গা কোর্ট পাড়ার আবু বক্করের ছেলে বুলবুল (১৯)।
ঘটনা সুত্রে জানা যায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যাসাড়ে ৭টার দিকে বুলবুলের পরিবারের সদস্যরা বুলবুলের শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের কতৃক জানতে পারে বুলবুল রঙ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পরেছে। এ সময় বুলবুলের পরিবারের সদস্য দ্রুত বুলবুলের শ্বশুর বাড়ি থেকে বুলবুলকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসকরা জানান খালি পেটে তরল ধরনের বিষ খাওয়ায় বুলবুলের অবস্থা আশঙ্খাজনক। তখনই দ্রুত বুলবুলের চিকিৎসা শুরু করে জরুরি বিভাগে।
এ সময় পারিবারিক সুত্রে জানা যায় গত পরসু সোমবার বিকালে বুলবুল তার স্ত্রীকে নিয়ে আসতে যায় শ্বশুর বাড়ি সিএ্যান্ডবি পাড়ায়। গত বৃহস্পতিবার বুলবুলের শ্বাশুরী স্বামী সংসার ফেলে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেলে বুলবুলের স্ত্রী তার বাপের বাড়ি সিএ্যান্ডবি পাড়ায় যায় এবং গত পরশু সোমবার বুলবুল তার স্ত্রী মনিকাকে নিয়ে আসতে গেলে মনিকা তার বাবাকে একা রেখে বুলবুলের সাথে ফিরতে চায় না। এ ঘটনার এক পর্যায়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যার সময় বুলবুলের শ্বশুর বাড়ির একটি মুঠোফোনের মাধ্যমে জানতে পারে বুলবুল রঙ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনা শোনার সাথে সাথে বুলবুলের মাতা মিনি ও বড়ভাই আনিস দ্রুত বুলবুলের মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছে ও বুলবুল যন্ত্রনায় ছটফট করছে। এ সময় বুলবুলের মা ও ভাই অভিযোগ করে বলে বুলবুলকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে। তখন বুলবুলের শ্বশুর মধূ বুলবুলের স্ত্রী মনিকা ও মনিকার দাদী চরাও হয়ে বুলবুলের মা ও ভাইকে চড় থাপ্পর মারে। তখন বুলবুলের অবস্থা খারাপ দেখে বুলবুলের মা ও ভাই দ্রুত বুলবুলকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটানার কিছুক্ষন পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বুলবুলের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ও বুলবুলের স্ত্রী মনিকা বুলবুলকে দেখতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আসলে বুলবুলের পরিবার ও বুলবুলের শ্বশুর বাড়ি দু’পক্ষের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভিতরে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চুয়াডাঙ্গা থানায় এ বিশৃংখলার কথা জানালে দ্রুত পুলিশ এসে বিষয়টি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। ও বুলবুলের শ্বশুর বাড়ির সদসের ফিরে যেতে বলে ও পরিবারকে এমন ঘটনা আর না ঘটার জন্য সর্তক করে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বুলবুল চুয়াডঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলো।
