নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার কোষাঘাটায় সিম দেয়াকে কেন্দ্র করে আনিকা নামের এক অষ্টম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠছে প্রতিবশী যুবক সুজন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত স্কুলছাত্রী চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার কোষাঘাটা গ্রামের আলামিনের মেয়ে ও এলাকার একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তবে এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ করেনি স্কুলছাত্রীর পরিবার।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, গ্রামের রমজানের ছেলে সুজন গত ছয় মাস আগে ওই স্কুলছাত্রীকে একটি মোবাইলের সিম দেয়। তাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত কথাবার্তা চলতো। বিষয়টি স্কুলছাত্রী পরিবার জানতে পেরে তাকে নিষেধ করে। নিষেধ সত্ত্বেও তারা কথাবার্তা চালিয়ে যেতে থাকে। একপর্যায়ে সুজনের স্ত্রী বিষয়টি জানতে পেয়ে ওই স্কুলছাত্রীর নিকট সুজনের দেয়া সিম নিতে যায়। সিমটি না দিলে সুজন ও তার স্ত্রী স্কুলছাত্রীকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্কুলছাত্রীকে ঝোপের মধ্যে ফেলে তারা সটকে পড়ে। পরে প্রতিবেশিরা স্কুলছাত্রীকে পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে জানায়। খবর পেয়ে দামুড়হুদা থানা পুলিশ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এবিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কোষাঘাটায় মোবাইলের সিম দেয়াকে কেন্দ্র করে এক স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন করেছে তারই প্রতিবেশি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে এঘটনায় স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযুক্তদের ধরতে আমরা ইতিমধ্যে অভিযান চালাচ্ছি। তারা এখন পলাতক আছে।
