ছবির ক্যাপশন:
শেখ হাসিনা জনগনের মুক্তিদাত্রী হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকাল ৪টার সময় শহীদ আবুল সড়কস্থ যুবলীগের দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা যুবলীগের সদস্য আবু বকর সিদ্দিক আরিফের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার।
প্রধান অতিথি নঈম জোয়ার্দ্দার তার বক্তব্যে বলেন, দেশে যখনই গণতন্ত্র আক্রান্ত হয়েছে, তখনই আক্রান্ত হয়েছেন শেখ হাসিনা। কখনো তাকে হত্যা করে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ সব যড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করেই তার সততায় জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগনের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে শেখ হাসিনা জনগনের মুক্তিদাত্রী হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন। এসময় তিনি আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
কারামুক্তি দিবসের আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সদস্য আজাদ আলী, সাজ্জাদুল ইসলাম লাভলু, শ্রমিক লীগ নেতা মো. পিরু, জেলা যুবলীগ নেতা রামিম হাসান সৈকত, সামিউল শেখ সুইট, সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাবান আলী, কালিদাসপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জমির আলী, জামজামি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আবু মুসা, ডাউকি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, জেহালা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শিলন, কুমারি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক টুটুল প্রমূখ। এছাড়াও যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নতিপোতা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সেনা সমর্থিত ১/১১ এর তত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি উঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
