দর্শনার মাদকব্যবসায়ী ঝন্টু-মন্টুকে খুঁজছে পুলিশ!

আপলোড তারিখঃ 2018-05-30 ইং
দর্শনার মাদকব্যবসায়ী ঝন্টু-মন্টুকে খুঁজছে পুলিশ! ছবির ক্যাপশন:
ওসি আকরাম হোসেন ঘুষের অভিযোগে প্রত্যাহারের পর আলোচনায় অঙ্কন মল্লিক/তরুন দত্ত: মাদকের স্বর্গরাজ্য দর্শনার এক শীর্ষ মাদকব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন প্রত্যাহারের পর দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুরের বাসিন্দা জেলার শীর্ষ মাদকব্যবসায়ী দু’ভাই ঝন্টু-মন্টুকে হন্য হয়ে খুঁজছে পুলিশ। গত বুধবার পুলিশ ঝন্টুকে আটক করে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে আটকের একদিন পরে ৭ লাখ টাকার বিনিময়ে গত শুক্রবার কোন এক সময় তাকে ছেড়ে দেয় দামুড়হুদা পুলিশ। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে চুয়াডাঙ্গার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম ঘটনার সত্যতা পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেনকে প্রত্যাহার করেন। এরপর পরই আলোচনায় আসে শীর্ষ মাদকব্যবসায়ী দর্শনা ঈশ্বরচন্দ্রপুরের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে ঝন্টু ও তার ভাই মন্টুর নাম। জানা যায়, দর্শনার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ঝন্টু ও মন্টু প্রায় ১৫ বছর যাবত মাদক ব্যবসা ও চোরাকারবারির করে আসছে। ঝন্টু ও তার ভাই মন্টু বিগত ২০০৩-৪ সালের দিকে ফেন্সিডিল চোরাচালানে জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ঝন্টু গ্রামে থাকলেও মন্টু চোরাচালানের জন্য গোপনে উজলপুর শশুর বাড়ীতে চলে যায়। সেখানে থেকে সে চোরাচালানের রুট তৈরী করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করে। এদিকে, ঝন্টু দর্শনা সীমান্ত অঞ্চল থেকে লেবারের মাধ্যমে মন্টুর কাছে ফেন্সিডিল পাঠায়। এভাবে ২০০৭ সালের দিকে ফেন্সিডিল চোরাচালানের ডন হিসাবে বেশ পরিচিতি পায় ঝন্টু। তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা দেয়া হলেও আইনের ফাঁক ফোকড় দিয়ে অথবা জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসে। তবে তাদের ব্যবসা বন্ধ হয় না। জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার আগের মত তাদের চোরাকারবারি চালিয়ে যায়। সর্বশেষ গত বুধবার দিনের কোন এক সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর গ্রেফতারের একদিন পর শুক্রবার তাকে ছেড়ে দেয় বলে একটি সুত্রে থেকে জানা গেছে। ওই সুত্র বলছে পুলিশ তাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার কথা বললে সে নিজেকে বাচাঁতে বিভিন্ন চোরাকারবারীর নিকট থেকে প্রায় সাড়ে ৭লাখ টাকা নিয়ে পুলিশকে দিয়ে রক্ষা পায়। টাকা পাওয়ার পর গত শুক্রবার রাতে তাকে পুলিশ ছেড়ে দিলে সে ভারতে চলে যায় বলে লোক মুখে শোনা যাচ্ছে। তবে ঝন্টুর এ ঘটনা জানতে পেরে এলাকার ছোট বড় চোরাকারবারী ও মাদক ব্যবসায়ীর এলাকা ছেড়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)