ছবির ক্যাপশন:
সমীকরণ ডেস্ক: সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটেছে। আবার অনেক স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিজেদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়েছে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দাবি করেছে। এদিকে, দেশের সাত জেলায় গত বুধবার থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ১৫ জন। পুলিশ-র্যাবের দাবি, নিহতরা সকলেই মাদক ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে রাজধানী ঢাকার একজন, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের দুইজন, কক্সবাজারে একজন, ফেনীতে দুইজন, মাগুরায় দুইজন, নারায়ণগঞ্জে দুইজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, কুমিল্লায় তিনজন এবং সাতক্ষীরায় একজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ৬০ জন নিহত হলেন।
ঢাকা: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামরুল ইসলাম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার বিজি প্রেস হাইস্কুল মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার (এসআই) মো. মিজানুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামরুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত পৌনে ২টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারি পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান জানান, নিহত কামরুল ইসলাম তেজগাঁও রেল লাইন বস্তি এবং মহাখালী সাততলা বস্তি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে বিভিন্ন থানায় ১৫টির বেশি মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দুই পক্ষের গুলি বিনিময়কালে র্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি। ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আজিজ ও শামীম নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান জানান, ধারণা করা হচ্ছে কোনো মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপ নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে আব্দুল আজিজকে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে আরো অধিকতর তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে, নিহত আব্দুল আজিজের দুলাভাই মুকুল হোসেন জানান, ‘বুধবার সন্ধ্যায় ইফতারির পরপরই ডিবি পুলিশের একটি দল আজিজকে তার বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর গতকাল সকালে তার গুলিবিদ্ধ লাশ কালীগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়।’ অপরদিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘গোলাগুলি’তে শামীম নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ওয়াপদা নামক স্থানে ‘গোলাগুলি’র এ ঘটনা ঘটে। কালীগঞ্জের আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা নিহত শামীম পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে থানায় ৯ টি মামলা রয়েছে। এ নিয়ে গত চারদিনে কালীগঞ্জে দ্বিতীয় মাদক ব্যবসায়ী নিহত হলো। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৪৮০ পিস ইয়াবা ও ১৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান জানান, কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ওয়াপদা রোডের একটি পরিত্যক্ত ভবনের মধ্যে মাদক বিক্রির সংবাদ পেয়ে পুলিশ অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৫/৬ মাদক ব্যবসায়ী গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের গুলি বিনিময়ের পর মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার মাহফুজুল আলম সোহাগ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের নাম শামীম বলে জানতে পারে পুলিশ। গোলাগুলির সময় কালীগঞ্জ থানার এসআই অমিত দাস, এএসআই শামীম হোসেন, পুলিশ কনস্টেবল নাজিম উদ্দীন, রতন আহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওসি আরও জানান, শামীম পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে ৯টি মামলা রয়েছে। গত ২০ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে র্যাবের সঙ্গে ‘গোলাগুলি’তে কালীগঞ্জ উপজেলার নরেন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী সব্দুল ইসলাম ওরফে সব্দুল ম-ল নিহত হয়। এ ঘটনার চারদিন পর নিহত হলো মাদক ব্যবসায়ী শামীম।
কক্সবাজার: গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে শহরের কলাতলী এলাকায় ইয়াবা ও অস্ত্রসহ মোহাম্মদ হাসান (৩৬) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল জানান, নিহত মোহাম্মদ হাসান কলাতলী আদর্শগ্রাম এলাকার খুইল্ল্যা মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগে কক্সবাজার সদর থানাসহ জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হত্যাকা- ঘটে থাকতে পারে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, নিহত মো. হাসানের কক্সবাজার বাস টার্মিনাল ও আদর্শগ্রাম কেন্দ্রিক ইয়াবা ব্যবসার বিশাল সিন্ডিকেট রয়েছে। একটি পরিবহনের মাধ্যমে তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচার করতেন। ইয়াবা ব্যবসার টাকা দিয়ে তিনি বেশ কয়েকটি পরিবহনের মালিক হয়েছেন। আদর্শগ্রাম এলাকায় তার দু’টি বাড়ি নির্মাণাধীন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ: পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী সেলিম ওরফে ফেন্সি সেলিম নিহত হয়েছেন। সিদ্ধিরগঞ্জের নিমাইকাশারী ক্যানেলপাড় এলাকায় গতকাল ভোর তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চার কর্মকর্তাসহ ছয়জন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বন্দুক, ছয় রাউন্ড গুলি, পাঁচ বোতল ফেনসিডিলসহ ছয়শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। নিহত সেলিম সিদ্ধিরগঞ্জের নিমাইকাশারী বাঘমারা এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, সেলিমের মা মর্জিনা বেগম ও বাবা কাশেমও মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। গত নভেম্বরে পুলিশ ফেন্সি সেলিমকে গ্রেফতার করতে এলে তিনি পুলিশের এক কর্মকর্তাকে কুপিয়ে আহত করেছিল।
মাগুরা: পৌর এলাকার পারনান্দুয়ালী প্রজেক্ট এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তারা হলেনÍ মিজানুর রহমান কালু (৪৫) ও আইয়ুব হোসেন (৫০)। এই সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচশ’ গ্রাম হেরোইন ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। মিজানুর রহমান কালুর নামে ২১টি এবং আইয়ুব হোসেনের নামে ১৮টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বাড়ি যথাক্রমে মাগুরা পৌর এলকার ভায়না ও নিজনান্দুয়ালী গ্রামে। গতকাল সকালে লাশগুলো মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে
ফেনী: ফেনীর ফুলগাজীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোরে ফুলগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী জাম্বুড়া এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সামিরান শামীম ও মজনু মিয়া ওরফে মনির। শামীম উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের মাইজ গ্রামের মোহাম্মদ মোস্তফার ছেলে ও মজনু ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের মনতলা গ্রামের মৃত ফটিক মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে দুইশ’ বোতল ফেনসিডিল, সাতশ’ পিস ইয়াবা ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ১০টিরও বেশি করে মামলা রয়েছে।
কুমিল্লা: পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল ওরফে লম্বা বাবুল (৩৫) ও রাজিব (২৬) এবং কামাল ওরফে ফেন্সি কামাল (৫১) নামে তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার গভীর রাতে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগ-া এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার গোয়ালমথন এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বৈদ্দেরখিল গ্রামের হাফেজ আহাম্মদের ছেলে এবং রাজিব সদর দক্ষিণ উপজেলার চাঙ্গিনী গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে। পুলিশের দাবি নিহতরা তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং উভয় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবুল ফয়সাল জানান, নিহত বাবুলের বিরুদ্ধে মাদক আইনে পাঁচটি মামলা রয়েছে। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, রাজিবের বিরুদ্ধে থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। এদিকে, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কামাল ওরফে ফেন্সি কামাল (৫১) নিহত হয়েছেন। এ সময় হালিম ও ইলিয়াস নামে দুই মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর ষোলনল ইউনিয়নের মহিশমাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কামাল কুমিল্লা সদরের রাজমঙ্গলপুর এলাকার বাসিন্দা। বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোজ কুমার দে জানান, গোপন খবর পেয়ে রাতে মহিশমাড়া এলাকায় অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলা চালায় মাদক বিক্রেতারা। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ফেন্সি কামাল নিহত হন। এ সময় হালিম ও ইলিয়াস নামে দুই মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ৫০ কেজি গাজাঁ ও একটি পাইপগান জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাতক্ষীরা: জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় আব্দুল আজিজ (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আজিজ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরানদহ গ্রামের কেরামত আলির ছেলে। এ সময় সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি রিভলবার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: আখাউড়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আমির খাঁ (৪২) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার ধরখার-বনগজ সড়কের কুড়েরপাড় স্টিল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আমির খাঁ আখাউড়া উত্তর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের মৃত সুরুজ খাঁর ছেলে। তার নামে থানায় নয়টি মাদক, একটি হত্যা ও দুইটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের এএসআই মোশারফ হোসেন, কনস্টেবল ইকবাল হোসেন ও আবু ছায়েদ আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় একটি পাইপগান, একটি কার্তুজ, একটি রামদা ও দশ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ বিষয়ে নিহত আমির খাঁ’র স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী সোমবার দুপুরে আমাদের বাড়ির পাশেই আমার মায়ের বাড়ির একটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। তিনজন পুলিশ তাকে ওই ঘর থেকে ধরে নিয়ে যায়। আমার স্বামীর নামে মাদকসহ কয়েকটি মামলা থাকলেও সে জামিনে রয়েছে। শুধু হত্যা মামলায় কোর্টে একবার হাজিরা না দেয়ার কারণে তার নামে ওয়ারেন্ট বের হয়।’ আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন তরফদার বলেন, নিহত আমিরের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা ও মাদকসহ ১২টি মামলা রয়েছে। তিনি এলাকায় সব সময় দা নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেত না।
