জীবননগর অফিস: জীবননগর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হাবিবপুর, বেনীপুর, ধান্যখোলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের সাধারণ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র উপায় হাবিবপুর গ্রামের ব্রিজ। তাছাড়া এই ব্রিজ দিয়েই করতোয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে করে। এটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে পড়ে ছিল। সম্প্রতি কয়েক দিন আগেই ব্রিজটির গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ শুরু করে চুয়াডাঙ্গার মাদানী এন্টার প্রাইজ। কাজ শুরু হতে না হতেই শুরু হয় কাজের দুর্নীতি। নি¤œমানের ইট আর সিমেন্টবিহীন বালি দিয়েই চলতে থাকে কাজ। অবশেষে স্থানীয় জনগনের তোপের মুখে ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীরা জানান ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রথম থেকেই কাজে ফাঁকি দেয়া হচ্ছে। মিস্ত্রিদের বারবার বলা সত্বেও তারা যে পরিমাণে সিমেন্ট বালি দেয়ার কথা তা না দিয়ে ১৮ বস্তা বালিতে ১ বস্তা সিমেন্ট দিচ্ছে। তারপরও মিস্ত্রিদের কাজ করতে নিষেধ করলে তারা বলেন, ম্যানেজার যেভাবে আমাদের কাজ করতে বলেছে আমরা সেভাবেই কাজ করব। তার কথার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন ময়েন বলেন, হাবিবপুর গ্রামের ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না কে কাজ করছে তাও জানিনা। তবে শুনেছি গ্রামবাসী কাজটি বন্ধ করে দিয়েছে। চুয়াডাঙ্গা মাদানী এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মুকুল জানান, কাজে আমরা কোন ফাঁকি দিচ্ছিনা। এমনকি কোন নি¤œমানের ইট ব্যবহার করছিনা। গ্রামবাসীর অভিযোগ ছিল মিস্ত্রিরা বালি বেশি দিচ্ছে আমি সেটি সমাধানের জন্য তাদের সাথে কথা বলেছি। তারপরও কাজ বন্ধ করে মিস্ত্রিদের মারধর করার চেষ্টা করেছে গ্রামবাসীরা। এ ব্যাপারে জীবননগর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার আরিফুদৌলা জানান, হাবিবপুর গ্রামে ব্রিজের গাইড ওয়াল নির্মাণে বালি বেশি দেয়া বা কাজটি বন্ধ হয়েছে এমন কোন তথ্য বা অভিযোগ আমার কাছে নেই। তবে আমি শুনলাম কাজটি দেখার জন্য অফিস থেকে লোক পাঠাবো তদন্তের জন। তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
