ছবির ক্যাপশন:
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল হাসপাতালের দুই চিকিৎসকসহ চারজনের নামে আদালতে মামলা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার জীবননগর উপজেলার কয়া গ্রামের রাশেদুজ্জামান বাদি হয়ে এ মামলা করেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর জীবননগর উপজেলার কয়া গ্রামের সামসুল হকের মেয়ে রোমানা খাতুনকে (১৪) চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় ইম্প্যাক্ট হাসপাতালে। রোমানা জন্ম থেকে একটি পা খুঁড়িয়ে হাঁটত। হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে রোমানার পায়ের অস্ত্রোপচার করা হয়। রোমানা খাতুনের একটি পায়ে সমস্যা থাকলেও চিকিৎসক তার দুই পায়ে অস্ত্রোপচার করে। এক পর্যায়ে রোমানার দুটি পা’ই নষ্ট হয়ে যায়। এতে সে পুরোপুরি পঙ্গু হয়ে পড়ে। তারপরও ইম্প্যাক্ট হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তার চিকিৎসা চলে। গতকাল রোমানার ভাই রাশেদুজ্জামান বাদি হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন। উক্ত মামলার আসামীরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল হাসপাতালের প্রশাসক ডা. সফিউর কবির, ডা. সনাতন কুমার বিশ্বাস, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট শরিফুল ইসলাম ও হাসপাতালের কর্মি মো. হাসান। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন।
