ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা বেলগাছি-মাখালডাঙ্গা সড়কের গঙ্গাচরা মাঠে দুর্বৃত্তদের কিলিং মিশন
পুলিশের ধাওয়ায় সন্ধ্যায় পলায়ন : সকালে গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার : মামলা দায়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশের ধাওয়ায় ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়েও শেষ রক্ষা হল না সাকিব হাসান সান (২৫) নামের এক যুবকের। পরদিন সকালে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হলো তাকে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বেলগাছি-মাখালডাঙ্গা সড়কের গঙ্গাচরা মাঠ থেকে তার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সান চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলৎদিয়াড় দক্ষিণপাড়া বর্তমানে মাঝেরপাড়া এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের তথ্য মতে সে দু’টি ডাকাতি মামলা ও ছিনতাইসহ ৮টি মামলার আসামী। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে বেলগাছি-মাখালডাঙ্গা সড়কের গঙ্গাচরা মাঠে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম মনিকে বিষয়টি জানালে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুর নাগাদ তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাদ আছর পৌর শহরের ইসলামপাড়া জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহতের ফুফু রতœা খাতুন বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যার আগে সান আমার মুসলিমপাড়াস্থ বাড়িতে অবস্থান করছিল। এ সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার জন্য আমার বাড়িতে অভিযান চালায়। সান বাড়ির ভেতরে আমার পাশে বসে খাওয়া দাওয়া করছিল। তাকে না পেয়ে আমার ছেলে সবুজকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চুয়াডাঙ্গা সদর ফাঁড়ির দারোগা ইমরান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সানকে গ্রেফতার করতে আসে। কোন কারণ ছাড়াই আটক করে নিয়ে যাওয়ায় দারোগা ইমরানের সাথে কথাকাটাকাটি হয় আমার। পরে একটি ফোন পেয়ে আমার ছেলে সবুজকে ছেড়ে দিলেও আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে ২৪ ঘন্টার সময় দেয় সে। দারোগা ইমরান এ সময় সানকে উদ্দেশ্য করে বলেন- ‘সানকে ধরতে পারলেই গুলি করা হবে’। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সান ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে গেলে তার পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ সদস্যরা। এরপর থেকে আর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি তার। অতঃপর সকালে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় বেলগাছির মাঠ থেকে।’
অভিযোগ প্রসঙ্গে সদর ফাঁড়ির এএসআই আবু আল ইমরান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণই মিথ্যা। নিহতের পরিবারের লোকজন বানাই বানাই বলছে কথাগুলো। সোমবার দিনগত রাতে আমি এক্সে-২ ডিউটিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাতগাড়ী ও নূরনগর কলোণী এলাকায় টহলরত ছিলাম। তবে এর আগে যখন এই সানের নামে ওয়ারেন্ট বের হত তখন দু’একবার তাকে ধরতে মাঝেরপাড়া-বাগানপাড়া এলাকায় অভিযানে গিয়েছি।’
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, নিহত সান কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও দুধর্ষ সন্ত্রাসী ছিলো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ছিনতাই ডাকাতিসহ ৮টি মামলা রয়েছে। তবে তাকে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করেছে সেটা তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সকালে বেলগাছি-মাখালডাঙ্গা সড়কের গঙ্গাচরা মাঠে পড়ে থাকা অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। নিহতের বাঁ কাঁধ ও ডান পাঁজরে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। নিহতের গায়ের রং ফর্সা। মুখে দাঁড়ি আছে। পরণে কালো জিন্সের প্যান্ট। খালি গা। হাত বাঁধা ছিল একটি গেঞ্জি দিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের পরণের গেঞ্জি খুলে হাত বেঁধে তাকে গুলি করে হত্যা করেছে কে বা কারা। প্রথমত তার পরিচয় না পাওয়া গেলেও পরে জানা যায় তার নাম সাকিব হাসান ওরফে সান। সে চুয়াডাঙ্গা মাঝেরপাড়ার হেলাল উদ্দিনের ছেলে এবং ডাকাতি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলার আসামী। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (মাঃনং-৩৪) দায়ের করেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে সদর থানার এসআই নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনের নামে মামলাটি দায়ের করেন।
নিহতের ফুফু রতœা খাতুন বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যার আগে সান আমার মুসলিমপাড়াস্থ বাড়িতে অবস্থান করছিল। এ সময় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার জন্য আমার বাড়িতে অভিযান চালায়। সান বাড়ির ভেতরে আমার পাশে বসে খাওয়া দাওয়া করছিল। তাকে না পেয়ে আমার ছেলে সবুজকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চুয়াডাঙ্গা সদর ফাঁড়ির দারোগা ইমরান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সানকে গ্রেফতার করতে আসে। কোন কারণ ছাড়াই আটক করে নিয়ে যাওয়ায় দারোগা ইমরানের সাথে কথাকাটাকাটি হয় আমার। পরে একটি ফোন পেয়ে আমার ছেলে সবুজকে ছেড়ে দিলেও আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে ২৪ ঘন্টার সময় দেয় সে। দারোগা ইমরান এ সময় সানকে উদ্দেশ্য করে বলেন- ‘সানকে ধরতে পারলেই গুলি করা হবে’। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সান ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে গেলে তার পিছনে ধাওয়া করে পুলিশ সদস্যরা। এরপর থেকে আর কোন খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি তার। অতঃপর সকালে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় বেলগাছির মাঠ থেকে।’
অভিযোগ প্রসঙ্গে সদর ফাঁড়ির এএসআই আবু আল ইমরান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণই মিথ্যা। নিহতের পরিবারের লোকজন বানাই বানাই বলছে কথাগুলো। সোমবার দিনগত রাতে আমি এক্সে-২ ডিউটিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাতগাড়ী ও নূরনগর কলোণী এলাকায় টহলরত ছিলাম। তবে এর আগে যখন এই সানের নামে ওয়ারেন্ট বের হত তখন দু’একবার তাকে ধরতে মাঝেরপাড়া-বাগানপাড়া এলাকায় অভিযানে গিয়েছি।’
এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান জানান, নিহত সান কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও দুধর্ষ সন্ত্রাসী ছিলো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ছিনতাই ডাকাতিসহ ৮টি মামলা রয়েছে। তবে তাকে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করেছে সেটা তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সকালে বেলগাছি-মাখালডাঙ্গা সড়কের গঙ্গাচরা মাঠে পড়ে থাকা অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। নিহতের বাঁ কাঁধ ও ডান পাঁজরে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। নিহতের গায়ের রং ফর্সা। মুখে দাঁড়ি আছে। পরণে কালো জিন্সের প্যান্ট। খালি গা। হাত বাঁধা ছিল একটি গেঞ্জি দিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের পরণের গেঞ্জি খুলে হাত বেঁধে তাকে গুলি করে হত্যা করেছে কে বা কারা। প্রথমত তার পরিচয় না পাওয়া গেলেও পরে জানা যায় তার নাম সাকিব হাসান ওরফে সান। সে চুয়াডাঙ্গা মাঝেরপাড়ার হেলাল উদ্দিনের ছেলে এবং ডাকাতি, ছিনতাইসহ একাধিক মামলার আসামী। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা (মাঃনং-৩৪) দায়ের করেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে সদর থানার এসআই নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনের নামে মামলাটি দায়ের করেন।
