ছবির ক্যাপশন:
ঘটনাস্থল থেকে ফিরে আফজালুল হক: চুয়াডাঙ্গার পৃথকস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে তৌফিক (৭) নামের এক শিশু। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শিশু তৌফিক দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মল্লিকপাড়ার মৃত. আলমগীর হোসেন স্বপনের ছেলে। নিহতরা হলেন- দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মল্লিকপাড়া মৃত. আলাউদ্দিন হোসেনের ছেলে আহসান হাবিব তপন (৪৮), চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের বিলপাড়ার আনারুল ইসলাম আনারের ছেলে রুহুল আমিন (২২), ও একই উপজেলার
মোমিনপুর ইউনিয়নের কাথুলি গ্রামের উত্তরপাড়ার আক্কাস আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০)।
জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মল্লিকপাড়ার আহসান হাবিব তপন মোটরসাইকেলযোগে দামুড়হুদা কানন বিদ্যাপীঠ স্কুল থেকে তার ভাস্তে তৌফিককে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় জয়রামপুর চৌধুরীপাড়া নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে আহসান হাবিবের মৃত্যু হয় ও শিশু তৌফিক গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহসান হাবিব তপনকে মৃত ঘোষণা করেন ও শিশু তৌফিককে অস্ত্রপাচার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, ১০ মিনিটের ব্যবধানে ওই একই ট্রাক দর্শনা রেল ক্রসিং অতিক্রম করে দর্শনা মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে একটি পাওয়ারট্রিলারকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে পাওয়ারট্রিলারের চালক রুহুল আমিন (২২) গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা চিৎলা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের বিলপাড়ার মৃত: আনারুল ইসলাম আনারের ছেলে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কাথুলী গ্রামের রাস্তা পারাপারের সময় করিমনের ধাক্কায় সুফিয়া বেগম (৫০) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের বাড়ির অদূরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধা সুফিয়া বেগম সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের কাথুলি গ্রামের মৃত: আক্কাছ আলীর স্ত্রী। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর ১২ টার দিকে সুফিয়া বাড়ির যাওয়ার উদ্দেশ্য রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় একটি ভুট্টা বোঝাই একটি করিমন তাকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পাকা রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, নিহত আহসান হাবিব তপনের হার্টে রিং বসানো ছিল। তার বুকে প্রচন্ড আঘাতের কারনে তার মৃত্যু হয়েছে ও নিহত সুফিয়া বেগমের মাথা ও বুকে আঘাত লাগার কারনে তার মৃত্যু হয়। এদিকে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়ায় তিনজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মোমিনপুর ইউনিয়নের কাথুলি গ্রামের উত্তরপাড়ার আক্কাস আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫০)।
জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মল্লিকপাড়ার আহসান হাবিব তপন মোটরসাইকেলযোগে দামুড়হুদা কানন বিদ্যাপীঠ স্কুল থেকে তার ভাস্তে তৌফিককে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় জয়রামপুর চৌধুরীপাড়া নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে আহসান হাবিবের মৃত্যু হয় ও শিশু তৌফিক গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহসান হাবিব তপনকে মৃত ঘোষণা করেন ও শিশু তৌফিককে অস্ত্রপাচার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, ১০ মিনিটের ব্যবধানে ওই একই ট্রাক দর্শনা রেল ক্রসিং অতিক্রম করে দর্শনা মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে একটি পাওয়ারট্রিলারকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে পাওয়ারট্রিলারের চালক রুহুল আমিন (২২) গুরুতর জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা চিৎলা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের বিলপাড়ার মৃত: আনারুল ইসলাম আনারের ছেলে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।
অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কাথুলী গ্রামের রাস্তা পারাপারের সময় করিমনের ধাক্কায় সুফিয়া বেগম (৫০) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিহতের বাড়ির অদূরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধা সুফিয়া বেগম সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের কাথুলি গ্রামের মৃত: আক্কাছ আলীর স্ত্রী। পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর ১২ টার দিকে সুফিয়া বাড়ির যাওয়ার উদ্দেশ্য রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় একটি ভুট্টা বোঝাই একটি করিমন তাকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পাকা রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, নিহত আহসান হাবিব তপনের হার্টে রিং বসানো ছিল। তার বুকে প্রচন্ড আঘাতের কারনে তার মৃত্যু হয়েছে ও নিহত সুফিয়া বেগমের মাথা ও বুকে আঘাত লাগার কারনে তার মৃত্যু হয়। এদিকে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়ায় তিনজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
