ছবির ক্যাপশন:
দুর্ভোগে ক্ষুব্ধ গ্রাহক : নেই কোন ব্যাখ্য
সোহেল রানা ডালিম/ মিঠুন মাহমুদ: এপ্রিল মাসে বিদ্যুৎ বিল পেয়ে চমকে উঠেছে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় অসংখ্য গ্রাহক। কারণ কারও কারও ক্ষেত্রে এই বিল গত জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের তুলনায় দুই তিন গুণ বেশি। গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন, কোথাও গিয়ে তাঁরা এই অস্বাভাবিক বিলের কোনো যৌক্তিক কারণ জানতে পারছেন না। সংশ্লি¬ষ্ট বিতরণকারী সংস্থার কাছে এবিষয়ে অভিযোগ করে কোনো সুরহা বা প্রতিকারও পাচ্ছেন না। ফলে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দূর্ভোগ পৌহাচ্ছেন বলে জানান গ্রাহকরা।
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জীবননগর জোনাল অফিসের আওতাধীন জীবননগর উপজেলার একজন আবাসিক গ্রাহকের চলতি এপ্রিল মাসের বিল এসেছে ৮৪৬ টাকা। বিল অনুযায়ী তিনি ১১০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। অথচ মার্চ মাসে তাঁর বিল এসেছিল ৪৯০ টাকা। বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ৯০ ইউনিট। এমন অস্বাভাবিক বিল কিভাবে হল জানতে চেয়ে প্রশ্ন করেন সমিতির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট।
মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের আওতাধীন দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, তার দোকানে প্রতি মাসে ৩’শ থেকে সাড়ে ৩’শ টাকার মধ্যে মাসিক বিল আসতো হঠাৎ করে গত কয়েকদিন আগে এপ্রিল মাসের ১ হাজার ৩’শ ৭৪ টাকার একটি বিলের কাগজ দেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন। ব্যবসায়ী গতকাল সমিতির চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাবিবুর রহমানের কছে এর ব্যাখ্যা চাইলে তিনি বলেন, আপনি এই বিল পরিমান ইউনিট খরচ করেছেন। এসময় সময়ের সমীকরণ সাংবাদিকের সরল প্রশ্ন মার্চ মাসে কাপড়র ব্যবসায়ীর বিল আসল ৩’শ টাকা পরের মাস সেই বিল এতো পরিমাণ বৃদ্ধি পেলো কিভাবে? ব্যবসায়ী বলছেন অতিরিক্ত কোন কিছু ব্যবহার করেননি। এসময় তিনি ব্যবসায়ীর বিদ্যুৎ বিলের কাগজটি আলাদা করে রাখেন। বিষয়টি তিনি দুই দিনের মধ্যে দেখে সুরাহা করার আশ্বাস দেন। এসময় হাবিবুর আরো বলেন, মিটার রিডাররা কম দেখায় বছরের শেষ সময় তা সমন্বয় করে দেন। যেটা আইন বিরোধী বলে তিনি স্বীকার করেন।
এ রকম আরও অনেক অস্বাভাবিক বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাবিবুর রহমান ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেন, প্রথমে তিনি নতুন পদ্ধতির সফটয়ার এর সমস্যার কথা বললেও পরে বলেন, ক্যাশিয়ার শিউলি ট্রেনিংয়ে থাকার কারনে পূর্বের বিল পোস্টিং দিতে বিলম্ব হয়েছে। তাছাড়া পিওন কাম ম্যাসেঞ্জাররা (পিসিএম) সময় মত ব্যাংকগুলো থেকে বিলের কাগজ সংগ্রহ করতে পারেনি যার ফলে গ্রাহকদের পূর্বের বিল বর্তমান বিলের সাথে এড হয়ে গিয়েছে। (পিসিএম) দের গাফিলতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার সদউত্তর দিতে পারেননি। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, ভোগান্তির বিষয়টি আমরা আমাদের সাধ্যমত সবদিক থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচিছ। আশা করি আর কোন সমস্যা হবে না।
এছাড়াও বিভিন্ন জেলা, উপজেলা শহরেও এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। পল্লী বিদ্যুতের (আরইবি) এলাকায় ‘লাইফ লাইন’ গ্রাহক (যাদের বিদ্যুৎ ব্যবহার সর্বনি¤œ) ছাড়া সবাই কমবেশি অতিরিক্ত বিলের কবলে পড়েছেন। কেন এমন হচ্ছে? বিদ্যুৎ সংশ্লি¬ষ্ট সূত্রগুলো জানায়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার তিনটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, মিটার রিডিংয়ে কারচুপি। মিটার রিডাররা প্রতিমাসে সব গ্রাহকের মিটারের রিডিং সরেজমিনে না নিয়ে অনুমাননির্ভর বিল করেন। ফলে কোনো কোনো মাসে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বিল কিছু কম হতে পারে। এতে কয়েক মাসের ব্যবহার থেকে কিছু কিছু জমা হয়ে মে-জুন এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বাড়তি বিল আসতে পারে। বছরের এই দুটি সময়ে ্মাসিক ও বার্ষিক হিসাবনিকাশ চূড়ান্ত করা হয়। গ্রাহকেরা বলছেন, যদি তাই হয় তাহলে মিটার রিডারের অনিয়মের দায় তাঁদের মেটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ কোম্পানির গ্রাহক হয়ে সেবার বদলে তাঁরা এই ভোগান্তিতে পড়বেন কেন? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যদি এভাবে ইউনিট জমিয়ে রেখে জুন ও ডিসেম্বরে বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় করা হয় তাহলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবহারকারীর গ্রাহকশ্রেণী পরিবর্তন হয়ে আবাসিক গ্রাহক বাণিজ্যিক গ্রাহকে রূপান্তরিত হয়ে যাবেন। এতে একজন গ্রাহক কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তা আরইবির এই হিসাব থেকে স্পষ্ট হবে।
আরইবি গত মার্চ মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পর আবাসিক গ্রাহককে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিটের জন্য চার টাকা দাম দিতে হচ্ছে। বিদ্যুতের ব্যবহার ৭৫ এর উপর প্রতি ইউনিটের দাম পড়বে ৫ টাকা ২৫ পয়সা। মিটার রিডারদের গাফিলতিতে গ্রাহকশ্রেণী পরিবর্তনের যে দ- দিচ্ছে, তার সুরাহা কে করবে? যে দূর্ভোগ পৌহাতে হচ্ছে কে দেবে তার মাশুল। এ ক্ষেত্রে বিতরণ কোম্পানিগুলোর দায়সারা পরামর্শ হলো গ্রাহককে রিডারের উপস্থিতিতে মিটার দেখতে হবে এবং প্রতি মাসে রিডার এসে মিটার রিডিং নিচ্ছে কিনা, তার খবর রাখতে হবে। যে ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয় সে ক্ষেত্রে গ্রাহক যেন বিল পাওয়ার পর মিটারের সঙ্গে বিলে উলি¬খিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ মিলিয়ে দেখেন। তবে রিডার গ্রাহকের বাড়ি না গিয়ে অনুমাননির্ভর বিল করছেন কি না? তা তদারকির কোনো ব্যবস্থা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর আছে কি না? বা এমন ব্যবস্থা নেবে কি না? সে বিষয়ে পরিষ্কার বক্তব্য নেই কর্তৃপক্ষের। আর মিটার নষ্ট হওয়ার কারণে যদি বেশি বিল আসে সে ক্ষেত্রে গ্রাহক অভিযোগ করলে সংশ্লি¬ষ্ট কোম্পানি মিটার পরীক্ষা করে তা বদলে দেবে। এই সময়ে বিদ্যুৎ বিল জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেন তাঁরা। এদিকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দূর্ভোগ এড়াতে চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসে গ্রাহককে নিজে এসে সংশোধনের জন্য অনুরোধ করেন সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা।
এ রকম আরও অনেক অস্বাভাবিক বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হাবিবুর রহমান ভিন্ন ভিন্ন কথা বলেন, প্রথমে তিনি নতুন পদ্ধতির সফটয়ার এর সমস্যার কথা বললেও পরে বলেন, ক্যাশিয়ার শিউলি ট্রেনিংয়ে থাকার কারনে পূর্বের বিল পোস্টিং দিতে বিলম্ব হয়েছে। তাছাড়া পিওন কাম ম্যাসেঞ্জাররা (পিসিএম) সময় মত ব্যাংকগুলো থেকে বিলের কাগজ সংগ্রহ করতে পারেনি যার ফলে গ্রাহকদের পূর্বের বিল বর্তমান বিলের সাথে এড হয়ে গিয়েছে। (পিসিএম) দের গাফিলতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার সদউত্তর দিতে পারেননি। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, ভোগান্তির বিষয়টি আমরা আমাদের সাধ্যমত সবদিক থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচিছ। আশা করি আর কোন সমস্যা হবে না।
এছাড়াও বিভিন্ন জেলা, উপজেলা শহরেও এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। পল্লী বিদ্যুতের (আরইবি) এলাকায় ‘লাইফ লাইন’ গ্রাহক (যাদের বিদ্যুৎ ব্যবহার সর্বনি¤œ) ছাড়া সবাই কমবেশি অতিরিক্ত বিলের কবলে পড়েছেন। কেন এমন হচ্ছে? বিদ্যুৎ সংশ্লি¬ষ্ট সূত্রগুলো জানায়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার তিনটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, মিটার রিডিংয়ে কারচুপি। মিটার রিডাররা প্রতিমাসে সব গ্রাহকের মিটারের রিডিং সরেজমিনে না নিয়ে অনুমাননির্ভর বিল করেন। ফলে কোনো কোনো মাসে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বিল কিছু কম হতে পারে। এতে কয়েক মাসের ব্যবহার থেকে কিছু কিছু জমা হয়ে মে-জুন এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বাড়তি বিল আসতে পারে। বছরের এই দুটি সময়ে ্মাসিক ও বার্ষিক হিসাবনিকাশ চূড়ান্ত করা হয়। গ্রাহকেরা বলছেন, যদি তাই হয় তাহলে মিটার রিডারের অনিয়মের দায় তাঁদের মেটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ কোম্পানির গ্রাহক হয়ে সেবার বদলে তাঁরা এই ভোগান্তিতে পড়বেন কেন? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যদি এভাবে ইউনিট জমিয়ে রেখে জুন ও ডিসেম্বরে বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় করা হয় তাহলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবহারকারীর গ্রাহকশ্রেণী পরিবর্তন হয়ে আবাসিক গ্রাহক বাণিজ্যিক গ্রাহকে রূপান্তরিত হয়ে যাবেন। এতে একজন গ্রাহক কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তা আরইবির এই হিসাব থেকে স্পষ্ট হবে।
আরইবি গত মার্চ মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পর আবাসিক গ্রাহককে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রতি ইউনিটের জন্য চার টাকা দাম দিতে হচ্ছে। বিদ্যুতের ব্যবহার ৭৫ এর উপর প্রতি ইউনিটের দাম পড়বে ৫ টাকা ২৫ পয়সা। মিটার রিডারদের গাফিলতিতে গ্রাহকশ্রেণী পরিবর্তনের যে দ- দিচ্ছে, তার সুরাহা কে করবে? যে দূর্ভোগ পৌহাতে হচ্ছে কে দেবে তার মাশুল। এ ক্ষেত্রে বিতরণ কোম্পানিগুলোর দায়সারা পরামর্শ হলো গ্রাহককে রিডারের উপস্থিতিতে মিটার দেখতে হবে এবং প্রতি মাসে রিডার এসে মিটার রিডিং নিচ্ছে কিনা, তার খবর রাখতে হবে। যে ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয় সে ক্ষেত্রে গ্রাহক যেন বিল পাওয়ার পর মিটারের সঙ্গে বিলে উলি¬খিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ মিলিয়ে দেখেন। তবে রিডার গ্রাহকের বাড়ি না গিয়ে অনুমাননির্ভর বিল করছেন কি না? তা তদারকির কোনো ব্যবস্থা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর আছে কি না? বা এমন ব্যবস্থা নেবে কি না? সে বিষয়ে পরিষ্কার বক্তব্য নেই কর্তৃপক্ষের। আর মিটার নষ্ট হওয়ার কারণে যদি বেশি বিল আসে সে ক্ষেত্রে গ্রাহক অভিযোগ করলে সংশ্লি¬ষ্ট কোম্পানি মিটার পরীক্ষা করে তা বদলে দেবে। এই সময়ে বিদ্যুৎ বিল জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেন তাঁরা। এদিকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দূর্ভোগ এড়াতে চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসে গ্রাহককে নিজে এসে সংশোধনের জন্য অনুরোধ করেন সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা।
