ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদার গোবিন্দহুদায় গভির রাতে পুলিশের সাথে ডাকাতদলের কথিত বন্দুকযুদ্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক: দামুড়হুদা উপজেলার গোবিন্দহুদা গ্রামের ঈদগাহ মাঠে পুলিশের সাথে কথিত বন্ধুকযুদ্ধে অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ৯টি মামলার আসামী মিরাজুল ইসলাম ওরফে মিরা ডাকাত (৫০) নিহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলাবারুদ ও রামদা উদ্ধার করেছে। মিরাজুল ইসলাম মিরা দামুড়হুদা উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দীনের ছেলে। গতকাল বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আহসান হাবিব (পিপিএম) জানান, বুধবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে দামুুড়হুদা উপজেলার হাতিভাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দীনের ছেলে এবং অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ৯টি মামলার আসামী ডাকাত সদস্য মিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে ২ রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তাকে দামুড়হুদা থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার অস্ত্রের কথা স্বীকার করে। রাতে এসআই আব্বাস উদ্দীন ও তার সঙ্গীয়ও ফোর্স নিয়ে তার কথামতো তাকে নিয়ে হাতিভাঙ্গা গ্রামে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য বের হয়। যাবার পথে গোবিন্দহুদা ঈদগাহ মাঠের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অস্ত্রধারী ডাকাত সদস্যরা পুলিশের গাড়ী লক্ষ করে ককটেল নিক্ষেপ করে।
পুলিশ আত্মরক্ষার্থে দূর্বৃত্তদের দিকে গুলি ছুড়লে মিরাজুলের সহযোগীরাও গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। প্রায় ২৫ মিনিট বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে মিরাজুল পালানোর চেষ্টা করলে ডাকাতদের গুলিতে মিরাজুল গুলিবিদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হোটে পালিয়ে যায়। বন্দুকযুদ্ধের আওয়াজে স্থানীয় জনতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মিরাজুলকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলিয়ার রহমান মিরাজুলকে মৃৃত ঘোষণা করেন। মিরাজুলের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা খানায় ৩টি অস্ত্র, ২টি ডাকাতিসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, ২ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২টি বোমা ও রামদা উদ্ধার করে।
পুলিশ আত্মরক্ষার্থে দূর্বৃত্তদের দিকে গুলি ছুড়লে মিরাজুলের সহযোগীরাও গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। প্রায় ২৫ মিনিট বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে মিরাজুল পালানোর চেষ্টা করলে ডাকাতদের গুলিতে মিরাজুল গুলিবিদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতরা পিছু হোটে পালিয়ে যায়। বন্দুকযুদ্ধের আওয়াজে স্থানীয় জনতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ মিরাজুলকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলিয়ার রহমান মিরাজুলকে মৃৃত ঘোষণা করেন। মিরাজুলের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা খানায় ৩টি অস্ত্র, ২টি ডাকাতিসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, ২ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ২টি বোমা ও রামদা উদ্ধার করে।
