নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে আবারো নারী চিকিৎসকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে মাইক্রো-প্রাইভেট শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রানার বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার বিকালে জরুরী বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক নুরুন্নাহার খানমের সাথে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রানা চিকিৎসকের সাথে বাকবন্ডিতা ও গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে রানা ও তার সঙ্গীরা দ্রুত সটকে পড়েন। এ সময় জরুরী বিভাগের কর্মচারী ও রোগী সাধারণদের মাঝে চাপা উত্তেজনা দেখা যায়। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, গতকাল বিকালে অভিযুক্ত রানা তার অসুস্থ নানিকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসে। এ সময় রানা চিকিৎসক নুরুন্নাহার খানমের চেয়ারের কোল ঘেসে দাঁড়ালে চিকিৎসক রানাকে চেয়ার থেকে একটু দুরত্বে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করে। এতে রানা চিকিৎসকের কথার প্রতিবাদ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। এ সময় জরুরী বিভাগে থাকা কর্মচারীরা প্রতিবাদ করলে তাদেরকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ হুমকি ধামকি প্রদান করে। এ নিয়ে জরুরী বিভাগের মধ্যে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং চাপা ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রত্যক্ষদর্শীরা। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে রানা ও তার সঙ্গীরা ছটকে পড়ে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রানার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি আমার নানিকে নিয়ে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে যায়। এ সময় আমার সাথে থাকা এক ব্যক্তি চিকিৎসকের চেয়ারের পাশে দাঁড়ালে তিনি একটু সরে যেতে বললে তার সাথে বাকবন্ডিতা হয়। এর থেকে আমি আর কিছুই জানিনা। এ বিষয়ে মাইক্রোকার চুয়াডাঙ্গা জেলার সাধারণ সম্পাদক জুলিয়াছ আহমেদ মিল্টু বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। আমরা বিষয়টি নিয়ে আজকে বসবো। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাইলে আমরা সংগঠন থেকে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এ বিষয়ে মাইক্রোকার চুয়াডাঙ্গা শাখার সভাপতি টোকনন বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। আর যে অন্যায় করবে তার অবশ্যয় শাস্তি হবে। আমাকে সদর থানা থেকে ফোন করেছিল। এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেনি। উল্লেখ্য, একই কাহিনী গত ১০ এপ্রিল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শিরিন জেবিন সুমির সাথে ডিউটিরত অবস্থায় মারমুখী আচরণ করে আশিক নামের এক যুবক। ওই রাতেই যুবুককে সদর থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদর থানায় নেয়।
