ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর হাসাদহে পীরের আস্তানার আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ড
জীবননগর অফিস: জীবননগরে পীরের আস্তানার আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে পীর মাসহ কপোত কপোতীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। ঘটনাটি গতকাল শনিবার দুপুরে হাসাদহ মাঝেরপাড়ার খলিল ফকিরের আস্তানায় ঘটেছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ খলিল ফকির তার আস্তানার আড়ালে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমানের নির্দেশে জীবননগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানকালে অসামাজিক কার্যকলাপে সহযোগিতা করার অপরাধে বাড়ির মালিক খলিল ফকিরের স্ত্রী হাসিনা খাতুন (৫০) ও অসামাজিক কার্যকালাপের জড়িত থাকায় দায়ে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর জমিদার পাড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আজিমুল ইসলাম (৪৬) এবং একই উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মিরাজুল ইসলামের কন্যা কলেজ ছাত্রী নারগিস খাতুন (২৫) কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সেলিম রেজা জানান, জীবননগর উপজেলার হাসাদহ মাঝপাড়া এলাকায় খলিল ফকিরের বাড়িতে অসামাজিক কার্যকালাপ হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অসামাজিক কার্যকলাপের সহযোগিতা ও জড়িত থাকার অপরাধে আটক ৩ জনের প্রত্যেককে বিনাশ্রম ৭ দিনের কারাদ- প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যহত থাকবে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হাসাদহ গ্রামের শুধু খলিল ফকিরের আস্তানায় নয়; এখানে মতিয়ার ফকির ও আফসার ফকিরের আস্তানায়ও বিভিন্ন স্থান থেকে মেয়েদের নিয়ে এসে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। তাই স্থানীয় সুধী মহল এ সমস্থ আস্তানার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
