ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় ঔষধ ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার ঔষধ ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, ‘ব্যবসা করতে হলে আইন জানতে হবে; নিয়মকানুন মানতে হবে। সঠিক সময়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে। ফার্মেসী/ দোকান পরিচালনায় দায়িত্বশীল হতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় ফার্মেসীগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখা হয়, স্যাম্পুল ঔষধ বিক্রয় করা হয়। এ অভিযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থাও নেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে অযথা নিজের দোষ অন্যের উপর চাপানো যাবে না। গতকাল বুধবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আহ্বান করা হয়। জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ এ সময় ঔষধ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং আইনী ধারণা দেন।
সম্প্রতি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল রোডের কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হলে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ঔষধ ব্যবসায়ীরা। তারা ঘন্টাব্যাপী দোকান বন্ধ রেখে প্রতিবাদসহ পরদিন সংবাদ সম্মেলন করে জেলা ড্রাগ সুপার সুকর্ণ আহমেদ’র বিরুদ্ধে ৭ দফা অভিযোগ উত্থাপন করেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার স্বশরীরে সমস্ত ঔষধ ব্যবসায়ীদের এক মতবিনিময় সভায় ডাকেন জেলা প্রশাসক। সভায় জেলা ড্রাগ সুপার সুকর্ণ আহমেদও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঔষধ ব্যবসায়ীদের ৭ দফা অভিযোগের প্রেক্ষিতে জবাব দেন। ঔষধ ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ সময় সদর বিসিডিএস সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান তাদের নানা সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলেন।
