আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার হারদী ইউনিয়নের বাশবাড়িয়া গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার আক্তার আলীর ছেলে মো. আসলাম আলীর স্ত্রী গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজ ঘরের আড়ায় দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁশ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আসলাম আলীর স্ত্রী মোছা. কাঞ্চন খাতুন দীর্ঘদিন পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি তার স্বামী আসলাম জানতে পারে প্রায় দু’বছর পর। তা নিয়ে তাদের মাঝে কথাকটাকাটি শুরু হয়। আসলাম ও কাঞ্চনের তিনটা কন্যা সন্তান রয়েছে। বন্যা খাতুন (১৫), তামান্না খাতুন (১২) ও ছোট মেয়ে শিমলা খাতুন (৭) তিন কন্যা সন্তান থাকলেও পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে ইনামুল হক (লিপন) (২৮) নামের এক জনের সাথে। পরকিয়া প্রেমিক লিপন পোলতাডাঙ্গা গ্রামের মৃত মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে। সে আলমডাঙ্গার পৌর সভার স্টাফ বলে জানান ঐ এলাকার লোকজন।
এদিকে কাঞ্চনের স্বামী আসলাম মাঠে কাজ করতো। তাতে তাদের মাঝে অভাব অভিযোগ থাকতো। এই সুযোগ ব্যবহার করে তার সাজানো আত্মীয়তার নাম দিয়ে পরকীয়া চালিয়ে যায়। ইনামুল হক (লিপন) এই সুযোগের সৎ ব্যবহারও করত। কিছুদিন আগে প্রতিবেশির কিছু লোক তার কাজ কর্ম দেখে আসলামকে জানায়। তার পর বড় মেয়ের সন্তান অসুস্থ্য বলে তারা পোড়াদহে একদিন থেকে ঘুরে আসে। সেখান থেকে আসার পর ঐ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। সকালে উঠে তার ছোট মেয়ে শিমলাকে স্কুলে পাঠায় এবং তার স্বামীকে মাঠ থেকে খড়ি অনতে বলে। তার মেঝো মেয়ে প্রাইভেট পড়তে যায়। শুন্য বাড়ি থাকায় সে গলায় দড়ি দিয়ে আড়াই ঝুলতে থাকে। তার মেয়ে শিমলা বাড়ি ফিরে খাওয়ার জন্য আবদার করে। ঘরের ভিতর থেকে বন্ধ তাই ভিতরে যেতে পারে না। কিছু পরেই মেজো মেয়ে এসে বেড়ার ফাঁক দিয়ে দেখে মা ঘরের আড়াই ঝুলছে। মা কে ঝুলতে দেখে সে চিৎকার করে। প্রতিবেশি তা শুনে দরজা ভেঙ্গে তার মায়ের মৃত দেহ উদ্ধার করে বলে জানা যায়।
