ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা অফিস: আনাড়ী এক কিটনাশক ব্যাবসায়ীর আনাড়ী যুক্তিতে সহজ সরল এক আমচাষী পড়েছে বিপদে। হাই পাওয়ারের ভুল কীটনাশক ব্যবহারে ৩বিঘা জমির আম পড়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে। এঘটনায় চাষী ও এলাকাবাসী হতবম্ব।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের হাজী আফছার আলীর একই গ্রামে সংলগ্ন হুমগাড়ি মাঠে ৩ বিঘা জমিতে ২৫০টি আম রুপালী গাছ রয়েছে। বছরের শুরু থেকেই গাছের পরিচর্যার মাধ্যমে বাগানে বেশ ভালোই মুকুল এসেছিলো। এরই একপর্যায়ে গত ৬/৪/১৮ তারিখে বাগানে হপার পোকা দেখা দিলে আফছার আলী নিকস্থ বাজার আকন্দবাড়ীয়ার বটতলা সংলগ্ন সার ও কীটনাশকের দোকান কামরুল ট্রেডার্সে যায়। কামরুল ট্রেডার্সের মালিক কামরুল হাসানের আনাড়ী যুক্তিতে হপার পোকা দমনের কীটনাশকসহ ২৮০০ টাকার ৫ প্রকারের কীটনাশক র্যাভজুম-৫০০, নোভিটা, বোরন, চিনাডোর, সানটেক একসাথে মিশিয়ে আমগাছে স্প্রে করতে বলে। সরলমনা চাষী ঐ কীটনাশক নিয়ে একদিন পরে মাত্রা পরিমানে মিশিয়ে বাগানে স্প্রে করলে, পরের দিন থেকে বাগানের আম পড়তে শুরু করে। বাগান চাষী আফছার আলী আবার কীটনাশক দোকানে আসলে দোকানদার তার কোন কথায় কর্ণপাত করে না। পরে চাষী বাগানটি দেখে আসতে বললে, আজ যাবো-কাল যাবো বলে। এখনো ঐ বাগানে যাওয়ার সময় পাননি বলে জানায় চাষী আফছার আলী। চাষী আরও বলেন, যে কীটনাশক কোম্পানীর ঔষধ ব্যবহার করে এ ঘটনা ঘটেছে সেই অফিসারের বাগান দেখতে আসার কথা থাকলেও তিনিও আসেননি।
এছাড়া উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামকে বললে তিনি ছুটিতে থাকায় যেতে পারেননি বলে জানায়। এবিষয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালচনার ঝড় বইতে থাকলে গতকাল বিকালে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামসহ র্যাভেন এগ্রো কোম্পানীর মার্কেটিং অফিসার আব্দুল আলীম ও বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানীর অফিসার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমবাগান পরিদর্শন করতে যায়। পরিদর্শন শেষে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বলেন, একসাথে সকল কীটনাশক ব্যবহারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। কীটনাশক কোম্পানীর অফিসাররা বলেন, হপার পোকা দমনের জন্য একটি ঔষধই যথেষ্ট। একসাথে এতোগুলি ঔষধ দেওয়ার কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে কীটনাশক ব্যবসায়ী কামরুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি।
এছাড়া উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামকে বললে তিনি ছুটিতে থাকায় যেতে পারেননি বলে জানায়। এবিষয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালচনার ঝড় বইতে থাকলে গতকাল বিকালে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলামসহ র্যাভেন এগ্রো কোম্পানীর মার্কেটিং অফিসার আব্দুল আলীম ও বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানীর অফিসার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমবাগান পরিদর্শন করতে যায়। পরিদর্শন শেষে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বলেন, একসাথে সকল কীটনাশক ব্যবহারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। কীটনাশক কোম্পানীর অফিসাররা বলেন, হপার পোকা দমনের জন্য একটি ঔষধই যথেষ্ট। একসাথে এতোগুলি ঔষধ দেওয়ার কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। এবিষয়ে কীটনাশক ব্যবসায়ী কামরুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি।
