ছবির ক্যাপশন:
মধ্যরাতে জীবননগর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী সফল অভিযান
ঘটনাস্থল থেকে জাহিদ বাবু: জীবননগর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী সফল অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদকস¤্রাজ্ঞী রিনা (৩২) ও তার তিন সহযোগিকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে হাসপাতাল পাড়ার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত মাদক সম্রাজ্ঞী রিনা হাসপাতাল পাড়ার সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। তার সহযোগি জীবননগর পাথিলা গ্রামের টাওয়ার পাড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে সাগর আলী (২৫), গোকুল নগরের সোনা মিয়ার ছেলে হামিদ (২৫) ও সন্তোষপুর ব্রিজপাড়ার মোমিনুল ইসলামের ছেলে সাগরকেও (৪০) এ সময় আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জীবননগর হাসপাতাল পাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাজ্ঞী রিনার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার ঘর তল্লাশী করে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের নানা ধরণের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ মাদক সম্রাজ্ঞী রিনাসহ তার তিন সহযোগি সাগর আলী, হামিদ ও সাগরকে আটক করে জীবননগর থানায় নিয়ে আসে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছিল। তাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন মামলা রয়েছে কিনা তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে মাদক সম্রাজ্ঞী রিনার বাড়িতে অভিযান পরিচালনাকালে সে নিজেকে জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বোন বলে দাবি করে। মেয়রের বোন হওয়ায় তার বাড়িতে পুলিশি অভিযান অনাকাঙ্খিত দাবি করে ওসিসহ তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী ধামকীও দিতে থাকে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জীবননগর হাসপাতাল পাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাজ্ঞী রিনার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার ঘর তল্লাশী করে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ইয়াবা সেবনের নানা ধরণের সরঞ্জাম ও মাদক বিক্রির নগদ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ মাদক সম্রাজ্ঞী রিনাসহ তার তিন সহযোগি সাগর আলী, হামিদ ও সাগরকে আটক করে জীবননগর থানায় নিয়ে আসে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছিল। তাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন মামলা রয়েছে কিনা তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে মাদক সম্রাজ্ঞী রিনার বাড়িতে অভিযান পরিচালনাকালে সে নিজেকে জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বোন বলে দাবি করে। মেয়রের বোন হওয়ায় তার বাড়িতে পুলিশি অভিযান অনাকাঙ্খিত দাবি করে ওসিসহ তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্যদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী ধামকীও দিতে থাকে।
