ছবির ক্যাপশন:
নানা কর্মসূচিতে প্রথম রাজধানী দিবস পালন : আলোচনা সভায় বক্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গাকে প্রথম অস্থায়ী রাজধানীর স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন, শোভাযাত্রা, আলোচনা ও স্মারকলিপি প্রদানসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করেছে জেলাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার সকালে শহিদ হাসান চত্বরে একত্রিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা প্রথম অস্থায়ী রাজধানী বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ মানববন্ধন করে। উক্ত মানববন্ধনে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন সামাজিক, সাংষ্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসী অংশগ্রহন করে। পরে মানববন্ধন শেষে শোভাযাত্রা সহকারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যেয়ে প্রথম অস্থায়ী রাজধানী স্বীকৃতির দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। এসময় জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ স্মারকলিপি গ্রহন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর দ্রুত পৌছে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। এরপর গতকাল বিকালে শহীদ হাসান চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ বেদিতে আলোচনা সভা ও সাংষ্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় চুয়াডাঙ্গা প্রথম অস্থায়ী রাজধানী বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবি জহির রায়হানের পরিচালনায় অতিথি থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি এ্যাড. শহিদুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মালিক, নীলমণিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল চুয়াডাঙ্গা শাখার সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল ওমর, প্রগতি লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক কাজল মাহমুদ, প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বিল্লাল হোসেন, জাতীয় গণফ্রন্ট চুয়াডাঙ্গার আহ্বায়ক লিটু বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা বিতর্ক চর্চা কেন্দ্রের আহ্বায়ক অধিকারকর্মী মেহেরাব্বিন সানভী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন চুয়াডাঙ্গা জেলা সংসদের সভাপতি শাওন কুমার রায়, উদীচীর নির্বাহী সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ প্রমুখ।
আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন- চুয়াডাঙ্গাকে প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণার পক্ষে অনেক প্রামাণিক দলিল রয়েছে। তাই এই জেলাকে প্রথম অস্থায়ী রাজধানী দিতেই হবে।
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে চুয়াডাঙ্গার মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সামাজিক, সাংষ্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ চুয়াডাঙ্গাবাসী অংশগ্রহণ করে।
