ইপেপার । আজরবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাঠানোর প্রলোভন

তিন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ঝিনাইদহ অফিস:
  • আপলোড টাইম : ১১:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা গ্রাম থেকে ধর্ষণের শিকার তিন নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সলেমানপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচারের সময় সংঘবদ্ধ চক্র তাদের নিয়ে আসে এবং সংঘবদ্ধ একটি চক্র আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান কাজল খবর নিশ্চিত করে জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত সোমবার বিকেলে নেপা ইউনিয়ন পরিষদের নিকটস্থ লালন মিয়ার বাড়ি থেকে ৩ নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত নারীরা জানান, তারা গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ছিলেন। মহেশপুর উপজেলার সলেমানপুর গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে সুজনও একই গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সেই সুবাদে সুজন ভারতে তাদের ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সলেমানপুর গ্রামে ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে কদম আলীর বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর তাদের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হৃদয়, সলেমানপুর গ্রামের নবী নিকেরির ছেলে আব্দুস সোবাহান ও বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মফিজের হাতে তুলে দেয়।

তারা আরও বলেন, এই তিনজন তাদের ভারতে পাচারের দায়িত্ব নেয়। ওই নারীদের অভিযোগ গত ৪ জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন বাড়িতে আটকে রেখে পাচারকারী চক্র তাদের ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে বিজিবির কুমিল্লা পাড়ার ক্যাম্প কমান্ডার গিয়াসউদ্দির বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই তিন নারীকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

মহেশপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান কাজল জানান, মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পক্ষ থেকে সোমবার বিকেলে একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। ওই তিন নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার তাদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বর্তি করা হবে। তিনি জানান, ধর্ষকসহ পাচারকারী সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাঠানোর প্রলোভন

তিন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

আপলোড টাইম : ১১:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নেপা গ্রাম থেকে ধর্ষণের শিকার তিন নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সলেমানপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচারের সময় সংঘবদ্ধ চক্র তাদের নিয়ে আসে এবং সংঘবদ্ধ একটি চক্র আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান কাজল খবর নিশ্চিত করে জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গত সোমবার বিকেলে নেপা ইউনিয়ন পরিষদের নিকটস্থ লালন মিয়ার বাড়ি থেকে ৩ নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত নারীরা জানান, তারা গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ছিলেন। মহেশপুর উপজেলার সলেমানপুর গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে সুজনও একই গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সেই সুবাদে সুজন ভারতে তাদের ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সলেমানপুর গ্রামে ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে কদম আলীর বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর তাদের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে হৃদয়, সলেমানপুর গ্রামের নবী নিকেরির ছেলে আব্দুস সোবাহান ও বাঘাডাঙ্গা গ্রামের মফিজের হাতে তুলে দেয়।

তারা আরও বলেন, এই তিনজন তাদের ভারতে পাচারের দায়িত্ব নেয়। ওই নারীদের অভিযোগ গত ৪ জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন বাড়িতে আটকে রেখে পাচারকারী চক্র তাদের ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে বিজিবির কুমিল্লা পাড়ার ক্যাম্প কমান্ডার গিয়াসউদ্দির বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই তিন নারীকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

মহেশপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান কাজল জানান, মহেশপুর ৫৮ বিজিবির পক্ষ থেকে সোমবার বিকেলে একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। ওই তিন নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার তাদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বর্তি করা হবে। তিনি জানান, ধর্ষকসহ পাচারকারী সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।