ইপেপার । আজরবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অনুপ্রবেশের পর বিএসএফের হাতে চুয়াডাঙ্গার আনোয়ার আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোড টাইম : ১১:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীকে হত্যার পর ছিলেন আত্মগোপনে। ভারতে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে আটক হলে মিথ্যা পরিচয় দেন। পতাকা বৈঠক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশে ফিরিয়ে আনার পর পাসপোর্টের মামলায় আদালতে তোলা হয় তাঁকে। পরে সেখানেই শনাক্ত করেন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ওই ব্যক্তি চুয়াডাঙ্গা জেলার আনোয়ার হোসেন (৪২)। তবে তিনি নিজেকে বিএসএফের কাছে রবিউল ইসলাম নামে পরিচয় দিয়েছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গা শহরের সুমিরদিয়া পাড়ায় সাদিয়া সুলতানা নয়নতারাকে (৩৫) পরকীয়া সন্দেহে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন আনোয়ার হোসেন। এরপর প্রায় ১০ মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। আসল পরিচয় গোপন করে গত ৪ জুলাই সকালে আনোয়ার হোসেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর মহকুমার রাঙ্গেয়ারপোতা এলাকায় অনুপ্রবেশ করেন।
সেখানে বিএসএফের কাছে ধরা পড়ার পর আনোয়ার হোসেন নিজেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ এলাকার মৃত আতাউল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম হিসেবে পরিচয় দেন।

ওই দিন দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাঁকে পাসপোর্ট আইনে মামলাসহ দর্শনা থানায় সোপর্দ করা হয়। দর্শনা থানায় সোপর্দের পর তার আসল পরিচয় জানাজানি হয়।

চুয়াডাঙ্গা আদালত পুলিশের পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, পাসপোর্ট আইনের মামলায় দর্শনা থানা পুলিশ আনোয়ার হোসেনকে গত বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করেন। গৃহবধূ সাদিয়া সুলতানা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নীতিশ কুমার আদালতকে জানান রবিউল ইসলামের প্রকৃত নাম আনোয়ার হোসেন। তিনি স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। আদালতের বিচারক বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন হত্যা মামলাটির আসামি আনোয়ার হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত রোববারই তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

অনুপ্রবেশের পর বিএসএফের হাতে চুয়াডাঙ্গার আনোয়ার আটক

আপলোড টাইম : ১১:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

স্ত্রীকে হত্যার পর ছিলেন আত্মগোপনে। ভারতে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে আটক হলে মিথ্যা পরিচয় দেন। পতাকা বৈঠক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশে ফিরিয়ে আনার পর পাসপোর্টের মামলায় আদালতে তোলা হয় তাঁকে। পরে সেখানেই শনাক্ত করেন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ওই ব্যক্তি চুয়াডাঙ্গা জেলার আনোয়ার হোসেন (৪২)। তবে তিনি নিজেকে বিএসএফের কাছে রবিউল ইসলাম নামে পরিচয় দিয়েছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গা শহরের সুমিরদিয়া পাড়ায় সাদিয়া সুলতানা নয়নতারাকে (৩৫) পরকীয়া সন্দেহে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন আনোয়ার হোসেন। এরপর প্রায় ১০ মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। আসল পরিচয় গোপন করে গত ৪ জুলাই সকালে আনোয়ার হোসেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর মহকুমার রাঙ্গেয়ারপোতা এলাকায় অনুপ্রবেশ করেন।
সেখানে বিএসএফের কাছে ধরা পড়ার পর আনোয়ার হোসেন নিজেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ এলাকার মৃত আতাউল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম হিসেবে পরিচয় দেন।

ওই দিন দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাঁকে পাসপোর্ট আইনে মামলাসহ দর্শনা থানায় সোপর্দ করা হয়। দর্শনা থানায় সোপর্দের পর তার আসল পরিচয় জানাজানি হয়।

চুয়াডাঙ্গা আদালত পুলিশের পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, পাসপোর্ট আইনের মামলায় দর্শনা থানা পুলিশ আনোয়ার হোসেনকে গত বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করেন। গৃহবধূ সাদিয়া সুলতানা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নীতিশ কুমার আদালতকে জানান রবিউল ইসলামের প্রকৃত নাম আনোয়ার হোসেন। তিনি স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। আদালতের বিচারক বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন হত্যা মামলাটির আসামি আনোয়ার হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত রোববারই তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।