ইপেপার । আজরবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের কংগ্রেস অনুষ্ঠানে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার

কৃষকদের সমস্যা সমাধানে সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোড টাইম : ০৮:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
  • / ২০ বার পড়া হয়েছে

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জাগো কৃষক বাধো জোট’ স্লোগানে গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় এই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসো বাস্তবায়িত “চাষাবাদ” প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কৃষক জোটের সাংগঠনিক আলোচনা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের মেলা।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। তিনি বলেন, ‘কৃষক জোটের এই সমাবেশে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আজকের সমাবেশ প্রমাণ করে কৃষি নির্ভর চুয়াডাঙ্গার মানুষ কৃষিকে অনেক ভালোবাসে। চুয়াডাঙ্গার মানুষ কৃষি নিয়ে ভাবে। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমিও একজন কৃষক। কৃষকের সমস্যা আমি বুঝি। কৃষক জোট কৃষকের যে সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে, তা সমাধানে আমি চেষ্টা করব। এখানে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছেন, কৃষকদের সমস্যা সমাধানে সবাইকেই উদ্যোগী হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকদের শক্তিশালী সংগঠন দরকার। কৃষকদের জোট গঠন হয়েছে এটা দেখে আমার ভালো লাগছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক জোটের যারা এসেছেন, আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি কৃষির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের কৃষিবিদদেরও অনেক অবদান আছে, তবে আরও বেশি মাঠমুখী হওয়ার দরকার। কৃষিজমি কমে যাচ্ছে, যেকোনো মূল্যে কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে। কৃষি বিজ্ঞানীদের ধানের ফলন বৃদ্ধিতে আরও বেশি কাজ করা দরকার। চুয়াডাঙ্গায় মাটি পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য কৃষক জোট দাবি করে আসছে, এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য আমিও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলেছি, পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবে ফার্স্ট ক্যাপিটাল বিশ^বিদ্যালয়ে মাটি পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।’

সবশেষ ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘আজকের সমাবেশ দেখে আমি আনন্দিত। আমি কৃষক জোটের কংগ্রেসের সফলতা কামনা করছি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি রিসো এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনকে চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের এই সংগঠন গড়ে তোলার জন্য।’

এদিন জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা, কংগ্রেস পতাকা ও কৃষক জোটের পতাকা উত্তোলন, উদ্বোধন ঘোষণা ও কবুতর অবমুক্তকরণের মধ্যদিয়ে দিনব্যাপি আয়োজনের সূচনা হয়। কৃষক জোটের কংগ্রেসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন।

উদ্বোধনের পর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে আগত কৃষক জোট সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠান স্থলে এসে মিলিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্যদিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের সভাপতি এস এম আব্দুল মোমিন টিপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. হামিদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা, জেলা মৎস্য অফিসার দীপক কুমার পাল, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এএইচএম শামিমুজ্জামান, দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আশিনুর রেজা ও রিসোর নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এরপর জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে যাদের হারিয়েছি, তাদের স্মরণে শোকগাঁথা পাঠ ও ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তারপর স্বাগত বক্তব্য ও কৃষক জোট কংগ্রেসের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন জেলা কৃষক জোটের সম্পাদক শাহজাহান আলী বিশ^াস। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের পক্ষ থেকে লিখিত দাবিনামা উপস্থাপন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষক জোটের সম্পাদক আব্দুল মুকিত জোয়ার্দ্দার।

দাবিনামা উপস্থাপন শেষে বক্তব্য দেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক জোটের সম্পাদক আব্দুল মালেক, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের সহসভাপতি শেফালী খাতুন ও মনোহরপুর ইউনিয়ন কৃষক জোটের সভাপতি আকিমুল ইসলাম।

বেলা ২টায় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কৃষক জোটের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ ভাবনা শীর্ষক সাংগঠনিক আলোচনা শুরু হয়। জেলা কৃষক জোটের সভাপতি শেফালী খাতুনের সভাপতিত্বে এই পর্বে অতিথি ছিলেন জেলা কৃষক জোটের সভাপতি এস এম আব্দুল মোমিন টিপু, সম্পাদক শাহজাহান আলী বিশ^াস, রিসোর নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, জেলা কৃষক জোটের সহসভাপতি বায়েজিদ রহমান জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি এমদাদুল হক ও দামুড়হুদা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন।

‘কৃষক জোটের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ তুলে ধরে বক্তব্য দেন কৃষক জোটের কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন সভাপতি আহাম্মদ আলী, কেডিকে ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কাদের, পদ্মবিলা ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল জব্বার, মনোহরপুর ইউনিয়ন সম্পাদক রাজেদুল ইসলাম, উথলী ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কুমারী ইউনিয়ন সম্পাদক আব্দুল আহাদ প্রমুখ। এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কৃষক জোটের কংগ্রেসের দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে সিটিজেন অ্যাডভাইজরি টিমের সদস্য, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সী আবু সাইফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রিসোর সমন্বয়কারী দারুল ইসলাম, আসমা হেনা চুমকি, বদরুজ্জামান তুষার, মতিয়ার রহমান ও মসিয়ুর রহমান।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের কংগ্রেস অনুষ্ঠানে এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার

কৃষকদের সমস্যা সমাধানে সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে

আপলোড টাইম : ০৮:১৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘জাগো কৃষক বাধো জোট’ স্লোগানে গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় এই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিসো বাস্তবায়িত “চাষাবাদ” প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কৃষক জোটের সাংগঠনিক আলোচনা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের মেলা।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। তিনি বলেন, ‘কৃষক জোটের এই সমাবেশে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। আজকের সমাবেশ প্রমাণ করে কৃষি নির্ভর চুয়াডাঙ্গার মানুষ কৃষিকে অনেক ভালোবাসে। চুয়াডাঙ্গার মানুষ কৃষি নিয়ে ভাবে। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমিও একজন কৃষক। কৃষকের সমস্যা আমি বুঝি। কৃষক জোট কৃষকের যে সমস্যাগুলো তুলে ধরেছে, তা সমাধানে আমি চেষ্টা করব। এখানে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছেন, কৃষকদের সমস্যা সমাধানে সবাইকেই উদ্যোগী হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকদের শক্তিশালী সংগঠন দরকার। কৃষকদের জোট গঠন হয়েছে এটা দেখে আমার ভালো লাগছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষক জোটের যারা এসেছেন, আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি কৃষির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের কৃষিবিদদেরও অনেক অবদান আছে, তবে আরও বেশি মাঠমুখী হওয়ার দরকার। কৃষিজমি কমে যাচ্ছে, যেকোনো মূল্যে কৃষিজমি রক্ষা করতে হবে। কৃষি বিজ্ঞানীদের ধানের ফলন বৃদ্ধিতে আরও বেশি কাজ করা দরকার। চুয়াডাঙ্গায় মাটি পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য কৃষক জোট দাবি করে আসছে, এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য আমিও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলেছি, পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবে ফার্স্ট ক্যাপিটাল বিশ^বিদ্যালয়ে মাটি পরীক্ষাগার স্থাপনের জন্য নির্দেশ দিয়েছি।’

সবশেষ ছেলুন জোয়ার্দ্দার বলেন, ‘আজকের সমাবেশ দেখে আমি আনন্দিত। আমি কৃষক জোটের কংগ্রেসের সফলতা কামনা করছি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি রিসো এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনকে চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের এই সংগঠন গড়ে তোলার জন্য।’

এদিন জেলা শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা, কংগ্রেস পতাকা ও কৃষক জোটের পতাকা উত্তোলন, উদ্বোধন ঘোষণা ও কবুতর অবমুক্তকরণের মধ্যদিয়ে দিনব্যাপি আয়োজনের সূচনা হয়। কৃষক জোটের কংগ্রেসের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন।

উদ্বোধনের পর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে আগত কৃষক জোট সদস্যদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে অনুষ্ঠান স্থলে এসে মিলিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে অতিথিদের আসন গ্রহণের মধ্যদিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের সভাপতি এস এম আব্দুল মোমিন টিপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড. হামিদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা, জেলা মৎস্য অফিসার দীপক কুমার পাল, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. এএইচএম শামিমুজ্জামান, দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাকারিয়া, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আশিনুর রেজা ও রিসোর নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এরপর জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে যাদের হারিয়েছি, তাদের স্মরণে শোকগাঁথা পাঠ ও ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। তারপর স্বাগত বক্তব্য ও কৃষক জোট কংগ্রেসের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন জেলা কৃষক জোটের সম্পাদক শাহজাহান আলী বিশ^াস। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের পক্ষ থেকে লিখিত দাবিনামা উপস্থাপন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষক জোটের সম্পাদক আব্দুল মুকিত জোয়ার্দ্দার।

দাবিনামা উপস্থাপন শেষে বক্তব্য দেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক জোটের সম্পাদক আব্দুল মালেক, চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষক জোটের সহসভাপতি শেফালী খাতুন ও মনোহরপুর ইউনিয়ন কৃষক জোটের সভাপতি আকিমুল ইসলাম।

বেলা ২টায় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কৃষক জোটের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ ভাবনা শীর্ষক সাংগঠনিক আলোচনা শুরু হয়। জেলা কৃষক জোটের সভাপতি শেফালী খাতুনের সভাপতিত্বে এই পর্বে অতিথি ছিলেন জেলা কৃষক জোটের সভাপতি এস এম আব্দুল মোমিন টিপু, সম্পাদক শাহজাহান আলী বিশ^াস, রিসোর নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম, জেলা কৃষক জোটের সহসভাপতি বায়েজিদ রহমান জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি এমদাদুল হক ও দামুড়হুদা উপজেলা কৃষক জোটের সভাপতি ইমতিয়াজ হোসেন।

‘কৃষক জোটের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ তুলে ধরে বক্তব্য দেন কৃষক জোটের কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন সভাপতি আহাম্মদ আলী, কেডিকে ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল কাদের, পদ্মবিলা ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল জব্বার, মনোহরপুর ইউনিয়ন সম্পাদক রাজেদুল ইসলাম, উথলী ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কুমারী ইউনিয়ন সম্পাদক আব্দুল আহাদ প্রমুখ। এরপর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে কৃষক জোটের কংগ্রেসের দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে সিটিজেন অ্যাডভাইজরি টিমের সদস্য, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সী আবু সাইফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রিসোর সমন্বয়কারী দারুল ইসলাম, আসমা হেনা চুমকি, বদরুজ্জামান তুষার, মতিয়ার রহমান ও মসিয়ুর রহমান।