ইপেপার । আজরবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গরু পাচারে বাধা দেয়ায় বিএসএফ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করল পাচারকারীরা

জীবননগর-মহেশপুর সীমান্তে উত্তেজনা, বিজিবির মাইকিং

জীবননগর অফিস:
  • আপলোড টাইম : ০৮:৪৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
  • / ৩৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা সীমান্তে গরু পাচারে বাধা দেওয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে মহেশপুর ও পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, সীমান্ত এলাকায় না যেতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গতকাল মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির জীবননগর উপজেলার নতুনপাড়া বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা মাইকিং করেছেন। এছাড়া উথলী বিশেষ ক্যাম্পসহ জীবননগরের বিভিন্ন ক্যাম্পের সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে মাইকিং করেন।
মাইকিংয়ে বলা হয়, ‘বিশেষ বিজ্ঞপ্তি, এতদ্বারা সকল জনসাধারণকে জানানো যাচ্ছে যে, গতকাল রাতে কতিপয় দালাল ভারতীয় বিএসএফ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি জনসাধারণের সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

তবে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধিনায়ক ও পরিচালক শাহ মো. আজিজুস শহীদ বলেন, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এক বিএসএফ সদস্য পাচারকারীদের হামলার শিকার হয়েছে, এমন অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী পতাকা বৈঠক ডেকেছিল। এ ঘটনায় বাংলাদেশি কেউ জড়িত আছে বলে তারা প্রমাণ দিতে পারেনি। শাহ মো. আজিজুস শহীদ আরও বলেন, বরং আমরাই এই ঘটনায় সঙ্গে জড়িত এক ভারতীয় নাগরিকের তথ্য দিয়েছি। তারা তাকে আটক করেছে। ওই ভারতীয় নাগরিক এ ঘটনায় জড়িত বলে তারা প্রাথমিক তদন্তে কিছু তথ্য পেয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিএসএফের পক্ষে থেকে অনুরোধ করা হয়েছে যে, এমন কাজে যেন বাংলাদেশি কেউ জড়িত না হয়। সীমান্ত এলাকায় মাইকিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা নিয়মিত এই ধরনের মাইকিং করি। এটি রুটিন কাজ। এর সঙ্গে সীমান্তের এই ঘটনায় কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে, সীমান্ত এলাকার লোকজন বলছে, বিএসএফ সদস্যকে কোপানোর ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যেন সীমান্ত এলাকায় না যায়, সে বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

গরু পাচারে বাধা দেয়ায় বিএসএফ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করল পাচারকারীরা

জীবননগর-মহেশপুর সীমান্তে উত্তেজনা, বিজিবির মাইকিং

আপলোড টাইম : ০৮:৪৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা সীমান্তে গরু পাচারে বাধা দেওয়ায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে মহেশপুর ও পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, সীমান্ত এলাকায় না যেতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গতকাল মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির জীবননগর উপজেলার নতুনপাড়া বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা মাইকিং করেছেন। এছাড়া উথলী বিশেষ ক্যাম্পসহ জীবননগরের বিভিন্ন ক্যাম্পের সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে মাইকিং করেন।
মাইকিংয়ে বলা হয়, ‘বিশেষ বিজ্ঞপ্তি, এতদ্বারা সকল জনসাধারণকে জানানো যাচ্ছে যে, গতকাল রাতে কতিপয় দালাল ভারতীয় বিএসএফ সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি জনসাধারণের সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকায় না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

তবে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধিনায়ক ও পরিচালক শাহ মো. আজিজুস শহীদ বলেন, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এক বিএসএফ সদস্য পাচারকারীদের হামলার শিকার হয়েছে, এমন অভিযোগে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী পতাকা বৈঠক ডেকেছিল। এ ঘটনায় বাংলাদেশি কেউ জড়িত আছে বলে তারা প্রমাণ দিতে পারেনি। শাহ মো. আজিজুস শহীদ আরও বলেন, বরং আমরাই এই ঘটনায় সঙ্গে জড়িত এক ভারতীয় নাগরিকের তথ্য দিয়েছি। তারা তাকে আটক করেছে। ওই ভারতীয় নাগরিক এ ঘটনায় জড়িত বলে তারা প্রাথমিক তদন্তে কিছু তথ্য পেয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিএসএফের পক্ষে থেকে অনুরোধ করা হয়েছে যে, এমন কাজে যেন বাংলাদেশি কেউ জড়িত না হয়। সীমান্ত এলাকায় মাইকিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা নিয়মিত এই ধরনের মাইকিং করি। এটি রুটিন কাজ। এর সঙ্গে সীমান্তের এই ঘটনায় কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে, সীমান্ত এলাকার লোকজন বলছে, বিএসএফ সদস্যকে কোপানোর ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যেন সীমান্ত এলাকায় না যায়, সে বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়।