ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাংনীতে বাক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সমীকরণ প্রতিবেদন
  • আপলোড টাইম : ০৯:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪
  • / ১০ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেদক, গাংনী:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে এক বাক প্রতিবন্ধীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের চা বিক্রেতা কাউছার আলীর বিরুদ্ধে। গত শনিবার দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বাক প্রতিবন্ধীর পরিবার।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিনগত রাতে কাউছারের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। রাতের বেলা বাক প্রতিবন্ধী নারীকে নিয়ে মাঠের দিকে যেতে দেখে সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। পরে কয়েকজন লোক তার পিছু নেয়। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজন পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে পাকড়াও হয় কাউছার আলী। এসময় উপস্থিত জনগণ তাকেসহ বাক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে মাঠ থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। এরই মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাটি জেনে যায় গোটা গ্রামের লোকজন। উৎসুক জনতা কাউছারের বাড়িতে ধাওয়া করলে তিনি সুকৌশলে পালিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার ওই বাক প্রতিবন্ধী ইশারা ইঙ্গিতে জানান, তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান কাউছারসহ আরও দুজন। মাঠের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার পর তার হাতে ৭ শ টাকা গুজে দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের দেওয়া টাকা স্থানীয়দের সামনে প্রদর্শন করেন বাক প্রতিবন্ধী ওই নারী। এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে। গ্রামের প্রতিটা চায়ের দোকানসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে চলছে চা বিক্রেতা ও বাক প্রতিবন্ধী নারীকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
এ ঘটনায় গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দীকে ফোন করা হলে তিনি জানান, এখন অবধি কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

গাংনীতে বাক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আপলোড টাইম : ০৯:০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

প্রতিবেদক, গাংনী:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে এক বাক প্রতিবন্ধীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের চা বিক্রেতা কাউছার আলীর বিরুদ্ধে। গত শনিবার দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বাক প্রতিবন্ধীর পরিবার।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিনগত রাতে কাউছারের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। রাতের বেলা বাক প্রতিবন্ধী নারীকে নিয়ে মাঠের দিকে যেতে দেখে সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। পরে কয়েকজন লোক তার পিছু নেয়। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজন পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে পাকড়াও হয় কাউছার আলী। এসময় উপস্থিত জনগণ তাকেসহ বাক প্রতিবন্ধী ওই নারীকে মাঠ থেকে বাড়ি নিয়ে আসে। এরই মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাটি জেনে যায় গোটা গ্রামের লোকজন। উৎসুক জনতা কাউছারের বাড়িতে ধাওয়া করলে তিনি সুকৌশলে পালিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার ওই বাক প্রতিবন্ধী ইশারা ইঙ্গিতে জানান, তাকে টাকা দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান কাউছারসহ আরও দুজন। মাঠের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার পর তার হাতে ৭ শ টাকা গুজে দেওয়া হয়। অভিযুক্তদের দেওয়া টাকা স্থানীয়দের সামনে প্রদর্শন করেন বাক প্রতিবন্ধী ওই নারী। এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় এলাকাবাসী বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে। গ্রামের প্রতিটা চায়ের দোকানসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে চলছে চা বিক্রেতা ও বাক প্রতিবন্ধী নারীকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
এ ঘটনায় গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দীকে ফোন করা হলে তিনি জানান, এখন অবধি কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।