ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সারা বছরই পানির নিচে সড়ক, ভোগান্তি চরমে

প্রতিবেদক, মুজিবনগর:
  • আপলোড টাইম : ০৯:৪৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

বর্ষা মৌসুমে কমবেশি সব রাস্তায় পানি ও কাঁদা দেখা যায়। তবে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার জয়পুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার পাকা রাস্তাটির চিত্র ভিন্ন। বছরের বেশিরভাগ সময়ই রাস্তাটি পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এতে পানি মাড়িয়েই বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের চলাচল করতে হয়। স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় এই দুর্ভোগের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানিয়েও সুরাহা পায়নি।

জয়পুর গ্রামের জিয়াউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি বলেন, হালকা বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির প্রায় পৌনে এক কিলোমিটার পানির নিচে তালিয়ে যায়। রাস্তার পাশে কোনো ড্রেন বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়সহ পথচারী এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সব থেকে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়। জমে থাকা পচা পানির ভেতর দিয়ে পায়ে হেঁটে সমস্ত রাস্তাটি তাদের পার করতে হয়। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে হলেও রাস্তাটি অতি দ্রুত সংস্কার করা হোক।
তারানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া ও কোহিনুর বলে, বৃষ্টির পানিতে এ রাস্তাটি তলিয়ে যায়। আমরা যখন স্কুলে যাই তখন অনেকেরই পা পিছলে পড়ে যায়। এতে বই-খাতাসহ আমাদের স্কুলড্রেস ভিজে যায়। এখানে একটি ড্রেন থাকলে রাস্তায় পানি জমে থাকতো না।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, জয়পুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার পিচ রাস্তাটি হালকা বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায়। প্রতিদিন পথচারীরা ভোগান্তিতে পড়ে। রাস্তাটি দিয়ে জয়পুর গ্রামের সাধারণ মানুষসহ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরাও চলাচল করে। বিষয়টি আমি জানি। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান আয়ূব হোসেনকেও এ দুর্ভোগের বিষয়ে জানানো হয়েছে। এবং মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে।
মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে মুজিবনগর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়গাটি পরিদর্শন করেছে। এর আগে যেখান দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতো সেভাবেই পানি নিষ্কাশনের জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

সারা বছরই পানির নিচে সড়ক, ভোগান্তি চরমে

আপলোড টাইম : ০৯:৪৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

বর্ষা মৌসুমে কমবেশি সব রাস্তায় পানি ও কাঁদা দেখা যায়। তবে মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার জয়পুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার পাকা রাস্তাটির চিত্র ভিন্ন। বছরের বেশিরভাগ সময়ই রাস্তাটি পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এতে পানি মাড়িয়েই বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের চলাচল করতে হয়। স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় এই দুর্ভোগের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানিয়েও সুরাহা পায়নি।

জয়পুর গ্রামের জিয়াউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি বলেন, হালকা বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির প্রায় পৌনে এক কিলোমিটার পানির নিচে তালিয়ে যায়। রাস্তার পাশে কোনো ড্রেন বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়সহ পথচারী এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সব থেকে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়। জমে থাকা পচা পানির ভেতর দিয়ে পায়ে হেঁটে সমস্ত রাস্তাটি তাদের পার করতে হয়। আমরা চাই শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে হলেও রাস্তাটি অতি দ্রুত সংস্কার করা হোক।
তারানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমাইয়া ও কোহিনুর বলে, বৃষ্টির পানিতে এ রাস্তাটি তলিয়ে যায়। আমরা যখন স্কুলে যাই তখন অনেকেরই পা পিছলে পড়ে যায়। এতে বই-খাতাসহ আমাদের স্কুলড্রেস ভিজে যায়। এখানে একটি ড্রেন থাকলে রাস্তায় পানি জমে থাকতো না।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, জয়পুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ার পিচ রাস্তাটি হালকা বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায়। প্রতিদিন পথচারীরা ভোগান্তিতে পড়ে। রাস্তাটি দিয়ে জয়পুর গ্রামের সাধারণ মানুষসহ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরাও চলাচল করে। বিষয়টি আমি জানি। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান আয়ূব হোসেনকেও এ দুর্ভোগের বিষয়ে জানানো হয়েছে। এবং মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে।
মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত আছি। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে মুজিবনগর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়গাটি পরিদর্শন করেছে। এর আগে যেখান দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতো সেভাবেই পানি নিষ্কাশনের জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।