ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় রেমালে দুই কৃষকের কলাবাগান তছনছ

প্রতিবেদক, মুজিবনগর:
  • আপলোড টাইম : ০৭:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
  • / ১৫ বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে সিরাজুল ইসলাম ও সহিদুল ইসলাম নামের দুই কৃষকের তিন বিঘা জমির কলাবাগান ভেঙে তছনছ হয়েছে। গত মঙ্গলবার সারা দেশে ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানে। এতে রক্ষা পায়নি মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের সোনাপুর মাঝপাড়া গ্রামের দুই কৃষকের কলাবাগান।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় আমি অন্যের জমি লিজ নিয়ে চার বিঘা কলা চাষ করি। আমার কলা গাছের অবস্থা খুব ভালো ছিল, প্রত্যেকটি গাছে কলার কাঁদি নেমেছিল। কিন্তু ঝড়ে আমার আড়াই বিঘা কলার বাগান ভেঙে সব গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। বাগান থেকে অন্তত সাত লাখ টাকার কলা বিক্রি করা যেত। কলা চাষ করে এখন আমি পুরোই নিঃস্ব।’

অপর দিকে শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ১০ কাঠা কলা খেতের সব গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ধার নিয়ে চারা রোপণ থেকে কাঁদি আসা পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করেছি। কলা বিক্রি করে খরচ তুলে কিছু লাভ হতো। এখন ধারের টাকা শোধ দেব কীভাবে জানি না।’

এ বিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।’

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

ঘূর্ণিঝড় রেমালে দুই কৃষকের কলাবাগান তছনছ

আপলোড টাইম : ০৭:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

মেহেরপুরের মুজিবনগরে ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে সিরাজুল ইসলাম ও সহিদুল ইসলাম নামের দুই কৃষকের তিন বিঘা জমির কলাবাগান ভেঙে তছনছ হয়েছে। গত মঙ্গলবার সারা দেশে ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানে। এতে রক্ষা পায়নি মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের সোনাপুর মাঝপাড়া গ্রামের দুই কৃষকের কলাবাগান।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় আমি অন্যের জমি লিজ নিয়ে চার বিঘা কলা চাষ করি। আমার কলা গাছের অবস্থা খুব ভালো ছিল, প্রত্যেকটি গাছে কলার কাঁদি নেমেছিল। কিন্তু ঝড়ে আমার আড়াই বিঘা কলার বাগান ভেঙে সব গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। বাগান থেকে অন্তত সাত লাখ টাকার কলা বিক্রি করা যেত। কলা চাষ করে এখন আমি পুরোই নিঃস্ব।’

অপর দিকে শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ১০ কাঠা কলা খেতের সব গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ধার নিয়ে চারা রোপণ থেকে কাঁদি আসা পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করেছি। কলা বিক্রি করে খরচ তুলে কিছু লাভ হতো। এখন ধারের টাকা শোধ দেব কীভাবে জানি না।’

এ বিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।’