ইপেপার । আজবৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গায় পুলিশ-প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা বলয়

মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩৮৭৫ জন সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোড টাইম : ১১:০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে শেষ হলো প্রথম ধাপের চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে তা চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৩ হাজার ৮৭৫ জন সদস্য। এ দুই উপজেলায় একজন করে মোট দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, প্রত্যেক পৌরসভা ও ইউনিয়নে একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ-প্রশাসনের এমন নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় ও তৎপরতায় খুশি প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২১৭টি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের ১ হাজার ২০ জনসহ মোট ৩ হাজার ৮৭৫ জন ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০টি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৮০ জন পুলিশ সদস্য ও ১২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ৩০৯ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া ৩৯টি মোবাইল টিমে ১৫৬ জন পুলিশ সদস্য, ২টি স্ট্রাইকিং টিমে ১০ জন সদস্যসহ অন্যান নির্বাচনী ডিউটিতে ৩৬৫ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৫০ জন র‌্যাব সদস্য, ৮০ জন বিজিবি সদস্য, আনসার ব্যাটালিয়ন ৩০ জন ও অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ২ হাজার ৬০৪ জন মোতায়েন ছিল।

নির্বাচনী মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, গুরত্বপূর্ণ কেন্দ্র বিবেচনায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ পরিদর্শকের (ওসি) নেত্বতে পুলিশ ফোর্স, কোথাও উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ দুই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ সার্বক্ষণিক নির্বাচনী এলাকায় তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচনী এলাকায় কঠোর নজরদারি রেখেছিল সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা বিভাগ।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান বলেন, ‘আমরা সমন্বিত মাধ্যমে কাজ করছি। আমাদের সাথে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আছে, তারা তথ্য দিচ্ছে। পুলিশ বিভিন্ন কেন্দ্র ছাড়াও মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পার্টিতে আছে। আমরা নিরাপত্তা পরিকল্পনা এমনভাবে সাজিয়েছি, কোথাও কোনো ছোটখাটো কিছু হলে তাৎক্ষণিক আমাদের নজরে আসছে। এবং এই নজরে আসার সাথে সাথেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি।’

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গায় পুলিশ-প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা বলয়

মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩৮৭৫ জন সদস্য

আপলোড টাইম : ১১:০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে শেষ হলো প্রথম ধাপের চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে তা চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৩ হাজার ৮৭৫ জন সদস্য। এ দুই উপজেলায় একজন করে মোট দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, প্রত্যেক পৌরসভা ও ইউনিয়নে একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ-প্রশাসনের এমন নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় ও তৎপরতায় খুশি প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর ও আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২১৭টি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের ১ হাজার ২০ জনসহ মোট ৩ হাজার ৮৭৫ জন ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০টি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৮০ জন পুলিশ সদস্য ও ১২৭টি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ৩০৯ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া ৩৯টি মোবাইল টিমে ১৫৬ জন পুলিশ সদস্য, ২টি স্ট্রাইকিং টিমে ১০ জন সদস্যসহ অন্যান নির্বাচনী ডিউটিতে ৩৬৫ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৫০ জন র‌্যাব সদস্য, ৮০ জন বিজিবি সদস্য, আনসার ব্যাটালিয়ন ৩০ জন ও অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ২ হাজার ৬০৪ জন মোতায়েন ছিল।

নির্বাচনী মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, গুরত্বপূর্ণ কেন্দ্র বিবেচনায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ পরিদর্শকের (ওসি) নেত্বতে পুলিশ ফোর্স, কোথাও উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ দুই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ সার্বক্ষণিক নির্বাচনী এলাকায় তৎপর ছিলেন। পুরো নির্বাচনী এলাকায় কঠোর নজরদারি রেখেছিল সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা বিভাগ।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আর এম ফয়জুর রহমান বলেন, ‘আমরা সমন্বিত মাধ্যমে কাজ করছি। আমাদের সাথে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আছে, তারা তথ্য দিচ্ছে। পুলিশ বিভিন্ন কেন্দ্র ছাড়াও মোবাইল ও স্ট্রাইকিং পার্টিতে আছে। আমরা নিরাপত্তা পরিকল্পনা এমনভাবে সাজিয়েছি, কোথাও কোনো ছোটখাটো কিছু হলে তাৎক্ষণিক আমাদের নজরে আসছে। এবং এই নজরে আসার সাথে সাথেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি।’