ইপেপার । আজশুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় ১৬ মে থেকে শুরু হচ্ছে আম সংগ্রহ

জেলায় ৩০ হাজার মেট্টিক টন আম উৎপাদন, বিক্রি হবে ১৫০ কোটি টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোড টাইম : ১০:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
  • / ১৫ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার পাকা আম বাজারে আসবে আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে। এদিন থেকে প্রথম ধাপে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে। গতকাল সোমবার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। ওই সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা, আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভা থেকে জানা যায়, আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে (১০ জ্যৈষ্ঠ) থেকে হিমসাগর, ৩০ মে (১৭ জ্যৈষ্ঠ) থেকে ল্যাংড়া, ৭ জুন (২৪ জৈষ্ঠ্য) আম্রপালি (বারি-৩) জাতের, ১৫ জুন (১ আষাঢ়) থেকে ফজলি জাতের ও ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়) থেকে আশ্বিনা (বারি-৪) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক আম পাড়া যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জানান, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের সূচি ব্যতীত কেউ অপরিপক্ক আম পাড়তে পারবেন না। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলায় এ বছর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে এবং সেখানে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে হেক্টর প্রতি আম উৎপাদন হবে ১৩-১৪ মেট্টিক টন। মোট আম উৎপাদন হবে ৩০ হাজার মেট্টিক টন। তিনি জানান, গড়ে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করলে আনুমানিক বাজার মূল্য হবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিস বিনতে আজিজ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজিব পাল, চুয়াডাঙ্গা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস মহলদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক লাজুক, আম চাষি মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান, আম ব্যবসায়ী আব্দুল মমিন প্রমুখ। এছাড়া জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

চুয়াডাঙ্গায় ১৬ মে থেকে শুরু হচ্ছে আম সংগ্রহ

জেলায় ৩০ হাজার মেট্টিক টন আম উৎপাদন, বিক্রি হবে ১৫০ কোটি টাকায়

আপলোড টাইম : ১০:৪৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার পাকা আম বাজারে আসবে আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে। এদিন থেকে প্রথম ধাপে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে। গতকাল সোমবার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। ওই সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা, আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভা থেকে জানা যায়, আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে (১০ জ্যৈষ্ঠ) থেকে হিমসাগর, ৩০ মে (১৭ জ্যৈষ্ঠ) থেকে ল্যাংড়া, ৭ জুন (২৪ জৈষ্ঠ্য) আম্রপালি (বারি-৩) জাতের, ১৫ জুন (১ আষাঢ়) থেকে ফজলি জাতের ও ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়) থেকে আশ্বিনা (বারি-৪) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক আম পাড়া যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জানান, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের সূচি ব্যতীত কেউ অপরিপক্ক আম পাড়তে পারবেন না। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলায় এ বছর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে এবং সেখানে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে হেক্টর প্রতি আম উৎপাদন হবে ১৩-১৪ মেট্টিক টন। মোট আম উৎপাদন হবে ৩০ হাজার মেট্টিক টন। তিনি জানান, গড়ে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করলে আনুমানিক বাজার মূল্য হবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিস বিনতে আজিজ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজিব পাল, চুয়াডাঙ্গা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস মহলদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক লাজুক, আম চাষি মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান, আম ব্যবসায়ী আব্দুল মমিন প্রমুখ। এছাড়া জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।