বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

  • আপলোড তারিখঃ ২৩-০৯-২০২৪ ইং
চুয়াডাঙ্গায় যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

চুয়াডাঙ্গায় সাইফুল ইসলাম (৫৫) নামের এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার বেলা দেড়টার দিকে শহরতলীর দৌলতদিয়াড় বঙ্গজ ফ্যাক্টরির সামনে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে জখম করে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। এসময় সাইফুল ইসলাম দৌঁড়ে একটি চলন্ত ইজিবাইকে উঠে পড়লে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সাহায্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সাইফুল ইসলাম দামুড়হুদা উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের মৃত গোলাম সরোয়ারের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও ভূষিমাল ব্যবসায়ী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে ব্যবসায়িক কাজে নিজ মোটরসাইকেলযোগে চুয়াডাঙ্গা শহরে যাচ্ছিলেন সাইফুল ইসলাম। পথে বঙ্গজ ফ্যাক্টরির সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এসময় সাইফুল দৌঁড়ে বড় বাজারমুখী একটি চলন্ত ইজিবাইকে উঠে পড়লে দুর্বৃত্তরা আলুকদিয়ার দিকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সাইফুলের ছোটভাই কবির হোসেন ও চাচাতো ভাই আবু ইয়াজিদ স্থানীয়দের সাহায্যে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে জখম গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে দুপুরেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সাইফুলের চাচাতো ভাই আবু ইয়াজিদ বলেন, স্থানীয়ভাবে সবাই তাকে পছন্দ করতেন। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তিনি জুড়ানপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পূর্ব বিরোধের কারণে কেউ তার ওপর হামলা করতে পারে। সাইফুল সুস্থ হলে বিষয়টি নিশ্চিত জানা যাবে।

আবু ইয়াজিদ আরও জানান, মোবাইলে খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এসময় সাইফুল তাকে বলেন, ৫-৬ জন তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। মোটরসাইকেল থামানোর পরপরই তারা সাইফুলের ওপর অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। তবে তিনি কাউকে চিনতে পারেননি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বলেন, ‘তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জরুরি বিভাগ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। তবে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে জানার পরপরই থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। সাইফুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়েছে পরিবার। তবে থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



কমেন্ট বক্স
notebook

আলমডাঙ্গায় ঢাবিতে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সাথে এসএমজে